সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাম মন্দির নির্মাণে সমর্থন জানিয়েছিলেন এক মুসলিম মহিলা। সেই অপরাধেই দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ি জ্বালিয়ে দিল বলে অভিযোগ। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের হাপুরে।
[১০ টাকার কয়েন লেনদেনে অস্বীকার করলে পড়তে হবে কড়া সাজার মুখে]
মুসলিম মহিলা নির্যাতন বিরোধী সেলের প্রধান ইকরা চৌধুরি অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। আর এতেই তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের বিরাগভাজন হন। ইকরার অভিযোগ, গত ৬ ডিসেম্বর রাম মন্দির নিয়ে একটি লিখিত সুপারিশ জেলাশাসকের কাছে জমা দিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই অনেকদিন ধরে এক দল দুষ্কৃতী তাঁকে এসব বিষয় থেকে দূরে থাকার হুমকি দিচ্ছিল। রাম মন্দির নিয়ে যেন তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না রাখেন, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, হাপুর ছেড়ে চলে যাওয়ারও হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। ইকরা জানাচ্ছেন, প্রতি মুহূর্তে প্রাণ হারানোর ভয় তাড়া করে বেড়াচ্ছিল তাঁকে। অর্থাৎ যোগীর রাজ্যেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন মুসলিম মহিলা।
[নাগরিক অধিকারের মৃত্যু ঘটাবে আধার, সুপ্রিম কোর্টে দাবি আইনজীবীর]
দুষ্কৃতীদের হুমকিই সোমবার হিংসার রূপ নেয়। ইকরার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে হিন্দিতে লেখা একটি চিঠিও উদ্ধার করেছেও। যেখানে ইকরার উদ্দেশে কড়া ভাষায় লেখা, “এবার রামকে ডাকো তোমায় রক্ষা করার জন্য।” আর এতেই অনেকখানি স্পষ্ট তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কাদের হাত রয়েছে। চিঠিটিও পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন ইকরা বলে খবর। হাপুর থানার ডিএসপি রাজেশ কুমার জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ইকরা কোনও হুমকির চিঠি জমা করেননি বলেই জানাচ্ছেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
‘জেন জি’-র মন বুঝেছেন ভাগবত, ‘গণতান্ত্রিক অধিকারে’র স্বীকৃতি দিয়েই পাশে থাকতে চান আরএসএস প্রধান
-
‘অপদার্থ সন্তান’, বাদশাকে খোঁচা হানি সিংয়ের, ‘বাদশাহী’ জবাবে বাজিমাত র্যাপারের
-
বন-মানুষের শত্রুতা! মধ্যপ্রদেশে বন্যপ্রাণীর হানায় মৃত ৫০, আট মাসে ৪৫টি বাঘের মৃত্যু
-
এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়! অভিষেককে সাময়িক রক্ষাকবচ দিয়ে জানাল হাই কোর্ট
-
আচমকা অসুস্থ কলকাতার নামী স্কুলের ২৫ ছাত্রী, খবর পেয়েই দেখতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী