সারা দেশে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। বিজেপি নেতা-কর্মীরা সেবার কাজ করছে। ‘বটবৃক্ষ’ আরএসএসের ছায়া থেকে বেরিয়ে এসেছে বিজেপি! ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবসে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। তাহলে কি সংঘের ছায়া থেকে ‘মোদির বিজেপি’র সরে আসার বার্তা দেওয়া হল! সংঘ থেকে মোদির আমলে বিজেপির জনপ্রিয়তা ধারে-ভারে এগিয়ে গিয়েছে? সেই ইঙ্গিতই কি এদিন তাঁর বক্তব্যে দিলেন মোদি?
আরও পড়ুন:
৬ এপ্রিল বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন বার্তা দিলেন। দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিলেন। আর সেখানেই তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)কে বটবৃক্ষ বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। আর সেই বটবৃক্ষের ছায়া থেকে এই সময়ের বিজেপি বেরিয়ে এসেছে। সারা দেশে নেতা-কর্মীরা কাজ করছেন। মানুষের সেবায় রয়েছেন, সেই কথা তিনি জানিয়েছেন। তাহলে কি আরও একবার সংঘের সঙ্গে ব্র্যান্ড মোদির সংঘাত উসকে গেল? আরএসএসের থেকে মোদির আমলে বিজেপি বড় ভূমিকা পালন করছে! সেই চর্চা শুরু করলেন রাজনীতির কারবারিরা।
৬ এপ্রিল বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন বার্তা দিলেন। দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিলেন। আর সেখানেই তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)কে বটবৃক্ষ বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। আর সেই বটবৃক্ষের ছায়া থেকে এই সময়ের বিজেপি বেরিয়ে এসেছে।
প্রসঙ্গত, আরএসএস-এর মতাদর্শ নিয়ে কাজ করে। সংঘের কর্মীদের শুরু থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে তৈরি করা হয়। জীবনের পাঠও দেওয়া হয় কর্মীদের। আরএসএসের ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠতে শুরু করে বিজেপি। গণতান্ত্রিক ভোট প্রক্রিয়ায় বিজেপি রাজনৈতিকভাবে লড়াই শুরু করে। কয়েক দশক আগেও লোকসভায় বিজেপির মাত্র দু’টি সাংসদ ছিল। গত শতকের শেষে বিজেপির নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে মনমোহন জমানার পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। শুধু তাই নয়, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএ)-র অন্যতম বড় শরিক হিসেবে বিজেপি কেন্দ্রে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠরা পেয়েছিল। ‘ব্র্যান্ড মোদি’ সেই কথাও ক্রমে উঠে আসে।
মনমোহন জমানার পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। শুধু তাই নয়, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএ)-র অন্যতম বড় শরিক হিসেবে বিজেপি কেন্দ্রে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠরা পেয়েছিল। ‘ব্র্যান্ড মোদি’ সেই কথাও ক্রমে উঠে আসে।
আরএসএসের নীতিকথার বাইরে নরেন্দ্র মোদি, জয়প্রকাশ নাড্ডা, অমিত শাহরা দল চালাচ্ছেন, সেই অভিযোগও ওঠে অন্দরে! আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে ব্র্যান্ড মোদির ঠোকাঠুকি লাগছে, মতানৈক্য হয়েছে! সেই বিষয়ও চলে এসেছিল। ৭৫ বছর বয়সের পর সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত সংঘপ্রধান দিয়েছিলেন। তাহলে কি নরেন্দ্র মোদিকে এরপর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে আসার বার্তা দেওয়া হয়েছে? ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আর ভোটে লড়বেন না। সেই কথাও চর্চায় রয়েছে। আরএসএস-এর মতাদর্শ এবং মোদির উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। মোহন ভাগবত ও মোদির মধ্যে দূরত্ব দেখা দিয়েছে! সেই বিষয়ও চর্চায় উঠে আসে।
তবে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও বার্তা কোনও তরফেই দেওয়া হয়নি। তবে এদিন মোদির বক্তব্যে সেই বিতর্ক আরও একবার উসকে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নিজেই নিজেকে গুনবেন! রাজ্যে স্ব-গণনায় বিশেষ পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
-
বাম আমলে ‘খুন’, প্রতিজ্ঞা পূরণ করে ৩৪ বছর পর বিজেপিকর্মী বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করলেন ছেলেরা
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার হারে অভিযান শুরু অধিনায়ক শ্রেয়সের, বৈভবকে না খেলিয়েই ভুগল ভারত!
-
হাল ছাড়তে নারাজ, এবার নিজেই ভোটের ময়দানে নামছেন পিকে
-
অন্যের প্রেম ভাঙিয়ে রোজগার! মিলছে পৌনে তিন লাখের চাকরি, আবেদন করবেন নাকি?