সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিরাপত্তাবাহিনীর লাগাতার অভিযানে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে মাওবাদীদের। এই অবস্থায় মরিয়া হয়ে সাধারণ গ্রামবাসীদের হত্যা করতে শুরু করেছে তারা। ‘পুলিশের চর’ বলে দাগিয়ে দিয়ে এবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে এক বিজেপি কর্মীকে খুন করল মাওবাদীরা। মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম সত্যম পুনেম। তাঁকে হত্যার পর মৃতদেহের পাশে একটি লিফলেট রেখে যায় মাওবাদীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভয়াবহ এই ঘটনা ঘটেছে বিজাপুরের ইলমিডি থানার অন্তর্গত মুজালকাঙ্কের। সোমবার রাতে সত্যমকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় মাওবাদীরা। এরপর রীতিমতো মারধোর করে হত্যা করা হয় ওই ব্যক্তিকে। খবর পেয়ে এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যমের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে মাওবাদীদের হাতে লেখা একটি লিফলেট পাওয়া গিয়েছে। মাওবাদীদের মাডেড এরিয়া কমিটির তরফে প্রকাশিত ওই লিফলেটে লেখা আছে, সতর্ক করার পরও নাকি সত্যম পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তিনবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তিনি গোপনে পুলিশের হয়ে চরবৃত্তি করছিলেন, যার জেরেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। মাওবাদীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযানও।
উল্লেখ্য, আগেও পুলিশের চর তকমা দিয়ে ছত্তিশগড়ে বহু মানুষকে খুনের অভিযোগ উঠেছে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পুলিশের চর তকমা দিয়ে মাওবাদীরা কুপিয়ে খুন করেছে সুকমার ৩০ বছর বয়সি শিক্ষক লক্ষ্মণ বরসেকে। তার আগে ১৪ জুলাই বিজাপুর জেলার ফারসেগড় এলাকায় ‘পুলিশের চর’ তকমা দিয়ে মাওবাদীরা দুই শিক্ষাদূতকে হত্যা করেছিল। তার আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি একই কারণে দান্তেওয়াড়া জেলায় এক শিক্ষাদূতকে হত্যা করা হয়। গত বছর সেপ্টেম্বরে মাসে সুকমা জেলায় দুড়হী অর্জুন নামে এক শিক্ষাদূতকে মাওবাদীরা খুন করে। রিপোর্ট বলছে, এভাবে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০ জনকে হত্যা করেছে মাওবাদীরা। গত বছরও এমনই এক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সাধারণ সম্পাদক বীরজু তরাম।
সর্বশেষ খবর
-
প্রশ্ন করবে জেন জি, উত্তর দেবেন মুখ্যমন্ত্রী! এবার নতুন প্রজন্মের সঙ্গে চা চক্রে বসবেন শুভেন্দু
-
শিল্ডে নর্থইস্টের বিরুদ্ধে শুরু থেকে ৬ বিদেশি খেলাবে মোহনবাগান, কেমন হবে প্রথম একাদশ?
-
বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ! এনআইএর জালে মসজিদের ইমাম
-
জন্মের আগেই মাধ্যমিক! কংগ্রেসের মামলা খারিজ হাই কোর্টে, স্বস্তি হাসিরানি রথের
-
অর্থনীতির গতি প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী! ভারসাম্য বজায় রাখাই আরবিআইয়ের চ্যালেঞ্জ