Ram Mandir

সরষের মধ্যেই ভূত! রামমন্দিরে কয়েকশো কোটির চুরি জেনেও ধামাচাপার চেষ্টা ট্রাস্টের প্রধানের

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইস্তফা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ঘনিষ্ঠ চম্পত। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, এ পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা নিতান্তই চুনোপুঁটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
সরষের মধ্যেই ভূত! রামমন্দিরে কয়েকশো কোটির চুরি জেনেও ধামাচাপার চেষ্টা ট্রাস্টের প্রধানের
রামমন্দিরে কয়েকশো কোটির চুরির অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ।

রামমন্দিরে কয়েকশো কোটির চুরির অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। এবার সেই ঘটনায় উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। সূত্রের খবর, চুরির ঘটনা জানাজানি হওয়ার আগেই গোটা বিষয়টি জানতেন রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই। তিনি নিজেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন অভিযুক্তদের একজনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। ওই তল্লাশিতে বিরাট অঙ্কের অর্থ উদ্ধারও হয়। তা সত্ত্বেও মন্দিরের তরফ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই বিরাট অঙ্কের চুরি কি ধামাচাপা দিতে চাইছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ?

Advertisement

সূত্রের খবর, গত ৫ জুন পুলিশ হানা দেয় চুরির অন্যতম অবিনাশ শুক্লার বাড়িতে। পুলিশি তল্লাশির নেপথ্যে ছিলেন চম্পত স্বয়ং। তাঁর নির্দেশেই ট্রাস্টের কয়েকজন প্রতিনিধি পুলিশ নিয়ে পৌঁছন অবিনাশের বাড়িতে। কোনও অভিযোগ বা এফআইআর দায়ের হওয়ার আগে কোন যুক্তিতে পুলিশ তল্লাশি চালাল, উঠছে সেই প্রশ্নও। ভাইরাল হওয়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, অবিনাশকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। সঙ্গে কালো ব্যাগ। অবিনাশের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা ওই ব্যাগে রয়েছে বলেই অনেকের অনুমান। যদিও ফুটেজের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশ্ন উঠছে, চম্পত-সহ ট্রাস্টের একাধিক শীর্ষকর্তা জানতেন মন্দিরের অনুদান চুরির বিষয়টি। তার জেরেই অবিনাশের বাড়িতে তল্লাশি পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু পুলিশে কেন অভিযোগ দায়ের হল না? অবিনাশের বাড়িতে তল্লাশির দিনদুয়েক পরে জানাজানি হয় বিরাট চুরির ঘটনা। তাহলে কি চুরির ঘটনা আড়াল করতে চাইছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ? কার স্বার্থে বা কাকে বাঁচাতে অভিযোগ দায়ের হয়নি? উঠছে একরাশ প্রশ্ন।

Advertisement

উল্লেখ্য, রামমন্দিরে ভক্তদের দানের টাকার একটা বড় অংশ যে চুরি গিয়েছে, সেটা এখন মোটামুটি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইস্তফা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ঘনিষ্ঠ চম্পত। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, এ পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা নিতান্তই চুনোপুঁটি। রাঘব বোয়ালরা এখনও আড়ালে। যে চুরির অঙ্কটা কয়েকশো কোটি ছাড়িয়ে কয়েক হাজার কোটির গণ্ডিতে, সেই চুরিতে বড় মাথারা জড়িত আছেই। সবমিলিয়ে, রামমন্দিরে চুরির ঘটনায় রোজ জুড়ছে নতুন নতুন কাণ্ড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.