MSME

বাংলাই মডেল! ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে সাফল্যকে সামনে রেখে নীতিতে বদল চায় কেন্দ্র

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও বাস্তব প্রয়োগ অত্যন্ত সীমিত, এমনই চিত্র উঠে এসেছে নীতি আয়োগের রিপোর্টে।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
বাংলাই মডেল! ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে সাফল্যকে সামনে রেখে নীতিতে বদল চায় কেন্দ্র

বাংলার সাফল্যকে সামনে রেখে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প নীতিতে রদবদলের সুপারিশ করল নীতি আয়োগ। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (MSME) কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও সেগুলির বাস্তব প্রয়োগ অত্যন্ত সীমিত, এমনই চিত্র উঠে এসেছে নীতি আয়োগের সাম্প্রতিক রিপোর্টে। তবে জাতীয় স্তরে এই ব্যর্থতার মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক প্রকল্পকে তুলনামূলকভাবে ‘সফল’ বলে উল্লেখ করেছে নীতি আয়োগ। 

Advertisement

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও সেগুলির বাস্তব প্রয়োগ অত্যন্ত সীমিত, এমনই চিত্র উঠে এসেছে নীতি আয়োগের সাম্প্রতিক রিপোর্টে। তবে জাতীয় স্তরে এই ব্যর্থতার মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক প্রকল্পকে তুলনামূলকভাবে ‘সফল’ বলে উল্লেখ করেছে নীতি আয়োগ। 

রাজ্যভিত্তিক মূল্যায়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মোট ১১টি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প প্রকল্পের উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড, কর্মসাথী, বাংলাশ্রী, ইন্টারেস্ট সাবসিডি অন টার্ম লোন, টেক্সটাইল ইনসেন্টিভ স্কিম, শিল্পসাথী ও শিল্প দিশার মতো প্রকল্পগুলি রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে রীতিমতো সাহায্য করেছে বলে রিপোর্টে স্বীকার করা হয়েছে। আর তা নজরে রেখেই রিপোর্টে নীতি আয়োগের সুপারিশ, বাংলার মতো রাজ্যের সফল প্রকল্পগুলিকে মডেল হিসেবে ধরে এগোতে হবে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্তরে সব এমএসএমই প্রকল্প একত্রিত করে একটি একক পোর্টাল চালু করা হোক। পাশাপাশি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যে কোনও ফাঁকফোকর থাকলে তা কমানো এবং সচেতনতা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে নীতি আয়োগের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

রিপোর্টে নীতি আয়োগের সুপারিশ, বাংলার মতো রাজ্যের সফল প্রকল্পগুলিকে মডেল হিসেবে ধরে এগোতে হবে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে নীতি আয়োগের পর্যবেক্ষণ বেশ কড়া। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অধিকাংশ এমএসএমই সংস্থাই জানে না, তাদের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী সুবিধা রয়েছে। আবার যাঁরা জানেন, তাঁদের মধ্যেও খুব কম সংখ্যক উদ্যোক্তা প্রকৃতপক্ষে সেই সুবিধা পান। যার জেরে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। একাধিক মন্ত্রকের অধীনে একই ধরনের প্রকল্প চালু থাকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে, অর্থ বরাদ্দ ছড়িয়ে পড়ছে এবং প্রকল্পগুলির কার্যকারিতা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। নীতি আয়োগের মতে, দক্ষ শ্রমিকের সংকট ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাব কাটাতে না পারলে এমএসএমই ক্ষেত্র দেশের কর্মসংস্থানের ভরসা হয়ে উঠতে পারবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.