ফের বদলে যাচ্ছে এসআইআর (SIR in West Bengal)-এর দিনক্ষণ। তৃণমূলের দাবিতে কার্যত সিলমোহর দিয়ে অভিযোগ জমা এবং নিষ্পত্তির সময়সীমা বাড়াল কমিশন। জানা গিয়েছে, এবার এই তালিকায় রয়েছে বাংলার নামও। পাশাপাশি রয়েছে, পুদুচেরি, গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ এবং রাজস্থানের নাম। অভিযোগ জমা এবং নিষ্পত্তির সময়সীমা ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বাংলার শাসকদল প্রথম থেকেই দাবি করেছে অতি দ্রুততার সঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে কমিশন। ভুল পদ্ধতিতে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানোয় হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
কমিশন বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এই পাঁচ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির (ইউটি) প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকদের অনুরোধের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, “বিশেষ নিবিড় সংশোধনীতে অভিযোগ জমার সময়সীমা ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।” নির্বাচন কমিশন নিজের বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় সবথেকে বেশি সংখ্যায় যোগ্য ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে সাধারণ মানুষের হয়রানি আরও বাড়ল। এবার শুনানিতে নথি হিসেবে আর গণ্য হবে না মাধ্যমিক বা সমতুল দশম শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড। বৃহস্পতিবার নতুন করে এমনই ‘ফতোয়া’ জারি করল নির্বাচন কমিশন। এই মর্মে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠাল দিল্লির নির্বাচন কমিশন।
এর আগে, গত বছর এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হলেও তা বাংলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে, তামিলনাড়ু, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং আন্দামান ও নিকোবর এবং উত্তরপ্রদেশে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময়সীমাও পরিবর্তন হয় সেই সময়।
বাংলার শাসকসদল বার বার কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে এসআইআর-এর সময়সীমা নিয়ে। তৃণমূলের দাবি, তাড়াহুড়ো করে এই প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে কমিশন। এই কারণেই প্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকছে এবং মানুষের হয়রানি হচ্ছে। একই সঙ্গে বহু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এরপরেই কমিশনের এই দিন বদল আসলে ঘুরপথে বাংলার শাসকদলের দাবিকেই মেনে নেওয়া বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। কারণ, সেবছরই শেষ ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের কাজ হয়েছিল। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বাংলা-সহ ১২ রাজ্যে ফের সেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে নিয়ম অনুযায়ী, এসআইআর শুনানিতে গিয়ে নিজের যথাযথ নথিপত্র দিয়ে নাম তোলার আবেদন জানাতে পারবেন ভোটাররা। এছাড়া যে কোনও অসংগতি বা ভুল সংশোধনের জন্যও নথি জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন