Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bihar

‘স্বীকার কর চুরি করেছিস’, পুলিশি হেফাজতে যুবকের যৌনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে যুবককে নির্যাতন বিহারে!

বিহারের সমস্তিপুরের ঘটনা। সোনার দোকানে চুরির অভিযোগের তদন্তে চার দিন পুলিশি হেফাজতে রেখেও নির্যাতিত যুবকের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ জোগাড় করতে না পারায় তাঁকে শেষমেশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন অফিসারেরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:৫৫

options
link
‘স্বীকার কর চুরি করেছিস’, পুলিশি হেফাজতে যুবকের যৌনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে যুবককে নির্যাতন বিহারে! zoom
ছবি: সংগৃহীত।

‘আমি চুরি করিনি!’ থানায় জেরার সময় বারবার বলেছিলেন যুবক। কিন্তু তাঁর কোনও কথাই শুনতে চাননি পুলিশ অফিসারেরা। ‘জোরজবরদস্তি’ চুরির স্বীকারোক্তি চেয়ে চলতেই থাকে মারধর। নির্যাতন করতে করতে অফিসারেরা এতটাই উন্মত্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে, যুবকের যৌনাঙ্গে পেট্রলও ঢেলে দেন তাঁরা! সেই যুবক এখন সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিহারের (Bihar) সমস্তিপুরের ঘটনা। সোনার দোকানে চুরির অভিযোগের তদন্তে চার দিন পুলিশি হেফাজতে রেখেও নির্যাতিত যুবকের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ জোগাড় করতে না পারায় তাঁকে শেষমেশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন অফিসারেরা। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার পরেই গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। যুবকের পরিবারই পুলিশের বিরুদ্ধে থানায় অকথ্য নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে। তার ভিত্তিতে তিন জন পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ডও করেছে বিহার পুলিশ।

Advertisement

পরিবার জানিয়েছে, ওই যুবক একটি সোনার দোকানে কাজ করতেন। সম্প্রতি সেই দোকানে ৬০ গ্রাম সোনা চুরি গিয়েছিল। মালিকের সন্দেহ হয়, কর্মচারীরাই সোনা চুরি করেছেন। অভিযোগ, প্রথমে সোনার দোকানের মালিক ওই যুবক-সহ অন্যান্য কর্মচারীদের উপর অত্যাচার চালান। তাঁদের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ারও হুমকি দেন। পরে পুলিশ ওই কর্মচারীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। থানায় বীভৎস্য অত্যাচারের পরেও কর্মচারীরে বিরুদ্ধে কোনও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে পারেননি তদন্তকারীরা। তাঁদের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি। শেষমেশ বাধ্য হয়েই অভিযুক্ত কর্মচারীদের বন্ডে জামিন দিতে হয় পুলিশকে।

যুবকের পরিবারের অভিযোগ, থানায় শুধু মারধরই নয়, তাঁকে থানা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকাও চেয়েছিলেন পুলিশ অফিসারেরা। পুলিশ সুপার অরবিন্দ প্রতাপ সিং জানান, থানার ইনচার্জ-সহ তিন জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সমস্ত অভিযোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.