বিহার রাজনীতিতে ফের পরিবারতন্ত্রের পদধ্বনি। এতদিন রাজনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলা মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্ত কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিচ্ছেন জেডিইউতে। মঙ্গলবার রাজ্যের মন্ত্রী ও প্রবীণ জেডিইউ নেতা শ্রবণ কুমার এ কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। শোনা যাচ্ছে, দলে নিশান্তকে বড় পদ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যসভাতেও পাঠানো হতে পারে তাঁকে।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রবণ কুমার বলেন, “নিশান্ত কুমার যে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন তা এখন আর জল্পনা নয়। পুরোপুরি স্পষ্ট। দলের তরফে দু’একদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হবে। দলের কর্মীরা অনেক বছর ধরেই নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে চাইছিলেন। এখন হোলির আগে এই সিদ্ধান্তে তাঁরা যারপরনাই উচ্ছ্বসিত।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “দল অবশ্যই তাঁকে বড় কোনও দায়িত্ব দেবে। তবে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে দু’একদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।” এদিকে সূত্রের খবর, পদের পাশাপাশি রাজ্যসভাতে পাঠানো হতে পারে নিশান্তকে।
শ্রবণ কুমার বলেন, “নিশান্ত কুমার যে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন তা এখন আর জল্পনা নয়। পুরোপুরি স্পষ্ট। দলের তরফে দু’একদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হবে। দলের কর্মীরা অনেক বছর ধরেই নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে চাইছিলেন।”
উল্লেখ্য, বিহারের রাজনীতিতে বার বার উঠে এসেছে পরিবারতন্ত্রের কথা। সব নেতাই চেষ্টা করেছেন পরবর্তী প্রজন্মকে রাজনীতির ময়দানে একটি পাকাপোক্ত জায়গা করে দিতে। তবে সেই ধারা থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল নীতীশের দল জেডিইউ। বাবা ১০ বারের মুখ্যমন্ত্রী হলেও এতদিন রাজনীতির ধার মাড়াননি ৫০ বছর বয়সী নিশান্ত। সবসময়ই প্রচারের আলো থেকে দূরে ছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগও ছিল না। তবে চিরাচরিত সেই ধারায় কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা যায় বিহারের শেষ বিধানসভা নির্বাচনে। বাবা দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দশমবার শপথ নেওয়ার জন্য বাবাকে অভিনন্দন। আমাদের জয় নিশ্চিত করার জন্য জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞ। ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ।”
পেশায় তথ্য প্রযুক্তি কর্মী নিশান্ত বিআইটিএস মেসরা থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি এক সময়ে নিজেই জানিয়েছিলেন রাজনীতিতে তাঁর কোনও আগ্রহ নেই এবং তিনি রাজনীতি বোঝেন না। তাঁর প্রথম পছন্দ আধ্যাত্মিকতা। যদিও, সাম্প্রতিক অতীতে তাঁকে বাবার সঙ্গে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। দলের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক আলোচনাতেও তিনি অংশ নিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছিল। এবার বিহার রাজনীতির চিরাচরিত ধারায় হেঁটে জেডিইউ-র ব্যাটন উঠতে চলএছে তাঁর হাতে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রতীক কার! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ ‘কালীঘাট তৃণমূলের’
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!
-
‘ভারতবিদ্বেষে’র হাওয়ায় প্রথম চিন সফর! কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক?
-
‘যে ইন্ডাস্ট্রিকে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা দিয়েছে…’, রণবীরকে কোণঠাসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সুনীল
-
‘গুন্ডাদমন বিলে’ লুটের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই সরকারের লক্ষ্য! কী রয়েছে খসড়ায়