বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় এবং চিনে রওনা দিয়েছিলেন তারেক রহমান। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্রতিবেশী তথা পুরনো ‘বন্ধু’ ভারতকে এড়িয়ে তারেকের চিন সফর বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। পদ্মপাড়ে ভারতবিরোধী হাওয়ায় কার্যত বশ্যতা স্বীকার করলেন খালেদাপুত্র। এই পরিস্থিতিতে শনিবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখলেন তারেক।
তিনি বলেন, “চিন ও মালয়েশিয়া সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি। কারণ, দেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তাঁদের স্বার্থ দেখার। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনও প্রাপ্তি নেই। এই সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি বাংলাদেশের অর্জন। দেশের মানুষের অর্জন। আমাদের স্লোগান হল বাংলাদেশ প্রথম।” বাংলাদেশের প্রধানমস্ত্রী পদে বসার পর প্রথম বিদেশ সফরের জন্য সংসদে তারেককে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করা হয়।
আরও পড়ুন:
চিন সফরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষিক বৈঠক করেন তারেক। আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, দু’দেশের সম্পর্কের উন্নতি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। শুক্রবার সকালে বেজিংয়ের গ্রেট হল অফ দ্য পিপলে এই দ্বিপক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদি আমিন জানান, তারেকের এই সফরের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশ-চিন সম্পর্ককে আরও জোরদার করা। কৌশলগত সহযোগিতা থেকে শুরু করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন প্রকল্প এবং দু’দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘নিজকে এই ইন্ডাস্ট্রির বাইরের সদস্য মনে হয়নি’, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ নিয়ে আড্ডায় জয়া
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ