Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Pakistan President Asif Ali Zardari On Hindus

এবার জারদারির মুখে ‘অখণ্ড ভারত’, স্বাধীনতা দিবসে হিন্দুদের নিয়ে বড় বার্তা পাক প্রেসিডেন্টের

তাৎপর্যপূর্ণভাবে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণের নিয়ে বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলি বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। চলতি বছর ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ম অবমাননা সংক্রান্ত আইন ও বৈষম্যমূলক বিধিব্যবস্থার কারণে সেখানে সংখ্যালঘুদের প্রতি হিংসাত্মক আচরণ করা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১২:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১২:০৯

options
link
এবার জারদারির মুখে ‘অখণ্ড ভারত’, স্বাধীনতা দিবসে হিন্দুদের নিয়ে বড় বার্তা পাক প্রেসিডেন্টের zoom
ধর্মীয় নিপীড়নের প্রতিবাদে সরব পাকিস্তানি হিন্দুরা। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

এবার পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির মুখে ‘অখণ্ড ভারত’। গত শুক্রবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানি হিন্দুরা ভারতে নয়, পাকিস্তানে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের হিন্দু সংখ্যালঘুরা কোনও বাধা ছাড়াই স্বাধীনভাবে তাঁদের ধর্ম পালন করতে পারে।

শুক্রবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পাক প্রেসিডেন্ট। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভারতীয়দের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। ওরা অখণ্ড ভারত-এর ধারণায় বিশ্বাসী। কিন্তু পাকিস্তান মুসলিম-প্রধান দেশ। এটাই পাকিস্তানের পরিচয়। পাকিস্তানে ৩ থেকে ৪ শতাংশ হিন্দু জনগোষ্ঠী রয়েছে। এখানকার হিন্দুরা অন্য যে কোনও জায়গার মতোই স্বাধীন। তাঁরা ভারতের চেয়ে পাকিস্তানকেই বেশি পছন্দ করবে। আমরা এমন মানসিকতার মুসলিম যারা সহনশীলতা বজায় রাখি।”

Advertisement

এদিকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণের নিয়ে বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলি বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। চলতি বছর ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ম অবমাননা সংক্রান্ত আইন ও বৈষম্যমূলক বিধিব্যবস্থার কারণে সেখানে সংখ্যালঘুদের প্রতি হিংসাত্মক আচরণ করা হয়। অকারণে গ্রেপ্তার, হয়রানি ও গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটে। শুধু তাই নয়, প্রতিবেদনে হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীদের বলপূর্বক বিয়ে ও ধর্মান্তরিত করার বিষয়গুলিও তুলে ধরা হয়েছে।

ইউরোপীয় ‘কান্ট্রি অফ অরিজিন ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে পাকিস্তানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। ১৯৪১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ছিল অ-মুসলিম। কিন্তু এক দশক পর তা কমে মাত্র ৪ শতাংশে নেমে আসে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার হিন্দু পাকিস্তান ত্যাগ করেন। তাঁদের অনেকেই ভারতে চলে আসেন। কেউ কেউ আবার অন্য দেশেও চলে যান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.