Om Birla

লোকসভায় ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত, ‘স্পিকারকে অপমান করেছেন রাহুল’, দাবি বিজেপির

স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে কে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি করাবেন, তাই নিয়েই চলছে দীর্ঘ আলোচনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৫:৪৮

options
link
লোকসভায় ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত, ‘স্পিকারকে অপমান করেছেন রাহুল’, দাবি বিজেপির
স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ। ফাইল ছবি।

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আনা অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হল। সোমবার ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও বিরোধীরা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ইস্যুতে সরকারের বিবৃতি এবং সংসদে আলোচনা চেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। যার জেরে সোমবার স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আলোচনা হয়নি। মঙ্গলবার বেশ কিছুক্ষণ টানাপোড়েনের পর প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

Advertisement

এদিন কংগ্রেসের তরফে অনাস্থা প্রস্তাবটি পেশ করেন সাংসদ মহম্মদ জাভেদ। তাঁকে সমর্থন করেন ডিকে সুরেশ এবং মল্লু রবি। সেসময় স্পিকারের আসনে ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান সাংসদ জগদম্বিকা পাল। কিন্তু জাভেদ নোটিস পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠে যায়, এই প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা জগদম্বিকার আছে কিনা? নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের থাকে। জগদম্বিকা পাল কোনওটিই নন। যদিও বিজেপির দাবি, জগদম্বিকা লোকসভার সভাপতিত্ব করার যোগ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর জগদম্বিকাই সমস্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করে ভোট দেওয়ার নোটিস দেন এবং কমপক্ষে ৫০ জন সংসদ সদস্যকে তার সমর্থনে দাঁড়াতে বলেন। পঞ্চাশের বেশি সাংসদ উঠে দাঁড়ালে নোটিসটি গৃহীত হয়। জগদম্বিকা পাল এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য ১০ ঘণ্টা সময় দেন। বিরোধীদের তরফে আলোচনার শুরুটা করেন লোকসভার উপ বিরোধী দলনেতা গৌরব গগৈ। তাঁর দাবি, লোকসভায় খোদ বিরোধী দলনেতাকে বলতে দেওয়া হয় না। তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখানে বিরোধীদের কন্ঠরোধ হচ্ছে।”

Advertisement

পালটা সরকারের তরফে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলছেন, “স্পিকার হিসাবে ওম বিড়লার অবদান নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। অথচ তাঁকে অপমান করা হচ্ছে। আমি বিরোধী দলনেতার একটা কথাই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ। বিরোধী দলনেতা বলেছেন, তাঁর নাকি বলার জন্য কারও অনুমতি প্রয়োজন হয় না। জানি না দলের সিনিয়র নেতারা ওনাকে বোঝান না কেন, যে সংসদে বলতে হলে স্পিকারের অনুমতি লাগে। এটা স্পিকারের অপমান।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন