Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
US-Iran War

যুদ্ধের বাজারে তেলের জন্য ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, সংকটেও ১৮০০০০ মেট্রিক টন ডিজেল দিচ্ছে দিল্লি

ভারতের থেকে ১.৮০ লক্ষ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল বাংলাদেশের। তবে ইউনুস জমানায় দুই দেশের কূটনৈতিক সংঘাত সেই চুক্তিতে দাঁড়ি টানে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সমস্তরকম তেল সরবরাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:২৪

options
link
যুদ্ধের বাজারে তেলের জন্য ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, সংকটেও ১৮০০০০ মেট্রিক টন ডিজেল দিচ্ছে দিল্লি zoom
মঙ্গলেই বাংলাদেশকে ৫০০০ মেট্রিক টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে (US-Iran War) জ্বালানি তেলের সংকট গুরুতর আকার নিয়েছে বিশ্বে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিতে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকেও। ভয়ংকর এই পরিস্থিতিতে তথৈবচ অবস্থা বাংলাদেশের। অভাব সত্ত্বেও গুরুতর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বিপদের বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল দেবে ভারত। যার মধ্যে মঙ্গলবারই ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে অসমের নুমালিগড় তেল সংশোধনাগার থেকে। পাইপলাইনের মাধ্যমে যাবে এই ডিজেল।

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধে দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরিভিত্তিতে ভারতের সাহায্য চেয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দেশের মধ্যে থাকা পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল চেয়েছিল ঢাকা। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ জানান বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই আপতকালিন পরিস্থিতিতে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দুই দেশের মধ্যে থাকা পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল চেয়েছিল ঢাকা।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অসমের এই সংশোধনাগার থেকে ১.৮০ লক্ষ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল বাংলাদেশের। তবে ইউনুস জমানায় দুই দেশের কূটনৈতিক সংঘাত সেই চুক্তিতে দাঁড়ি টানে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সমস্তরকম তেল সরবরাহ। তবে নয়া সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি। বিএনপির তারেক সরকারের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে তেল সংকটে যুঝতে থাকা বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব গুরুতর আকার নিয়েছে বাংলাদেশে। তেল সংকটের মোকাবিলায় সে দেশে বাইকে ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ করার পাশাপাশি আগাম ইদের ছুটি ঘোষণা হয়েছে। গ্যাসের কালোবাজারি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ২-৩ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস। তেলের পাম্পগুলিতে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.