দু’বছর ধরে ভারতে আত্মগোপন করে রয়েছেন। বুধবার প্রথমবার জনসমক্ষে আসতে চলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই বিষয়টিতে ভারত সরকারের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই। মঙ্গলবার একথা জানিয়ে দেওয়া হল বিদেশ মন্ত্রকের তরফে। কার্যত হাসিনার সঙ্গে কৌশলী দূরত্ব তৈরি করা হল।
২০২৪ সালে প্রবল ছাত্র বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসতে বাধ্য হন হাসিনা। প্রাণের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে গোপন আশ্রয়ে রাখা হয় পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়ার আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চে থাকবেন হাসিনা। বাংলাদেশে ফেরা থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্যও রাখবেন তিনি।
সোমবার এই বিষয়ে দিল্লির কাছে ব্যাখ্যা চায় ঢাকা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের ভূখণ্ডে (হাসিনার) পরিকল্পিত জনসমাবেশ বা গণ-সংযোগ কর্মসূচি দু’পক্ষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে যে ইতিবাচক গতিধারা তৈরি করেছিল, তা ব্যাহত করতে পারে।
মঙ্গলবার কার্যত ঢাকাকে জবাব দিল ভারত। এদিন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্তব্য করেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে (হাসিনার) “যে আলাপচারিতার কথা বলা হচ্ছে, তা একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা আয়োজন করছে। এতে সরকারের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এই ফোরামে প্রকাশিত কোনও মতামতকে সরকার সমর্থন করে না।”
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী