Har Ki Pauri

অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ হর কি পৌরিতে! হরিদ্বারে টাঙানো হল সাইনবোর্ড

আগামী বছর অর্ধকুম্ভ। তার ঠিক আগেই হর কি পৌরি এলাকায় অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গঙ্গা সভা। এই ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করছে উত্তরাখণ্ড সরকারও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১১:১১

options
link
অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ হর কি পৌরিতে! হরিদ্বারে টাঙানো হল সাইনবোর্ড

শোনা যাচ্ছিল, হরিদ্বারে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ করতে চলেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। এই গুঞ্জনের মধ্যেই হর কি পৌরিতে টাঙানো হল পোস্টার, যাতে লেখা ‘অহিন্দু প্রবেশ নিষেধ ক্ষেত্র’। যা ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। হর কি পৌরি ও সংলগ্ন ঘাটগুলির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গঙ্গা সভার। তারাই ওই পোস্টার লাগিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধুমাত্র গঙ্গা মন্দিরে নয়, হর কি পৌরি সংলগ্ন এলাকাতেও ওই পোস্টার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

হরিদ্বারের পবিত্রতা রক্ষায় সেখানে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছিল। এহেন পরিস্থিতিতে এই পোস্টার ঘিরে কংগ্রেসের প্রশ্ন, কী করে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যায়। এলাকার সমস্ত প্রবেশপথেই ওই পোস্টার লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে ব্রিজ রেলিং থেকে পিলার সবই আছে। এপ্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা যাক, ১৯১৬ সালের হরিদ্বার পুরসভা আইন অনুসারে ওই অঞ্চলের অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ। কিন্তু এতদিন তা বলবৎ করা হয়নি। হঠাৎ কেন তা লাগু করতে হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হর কি পৌরি ও সংলগ্ন ঘাটগুলির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গঙ্গা সভার। তারাই ওই পোস্টার লাগিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধুমাত্র গঙ্গা মন্দিরে নয়, হর কি পৌরি সংলগ্ন এলাকাতেও ওই পোস্টার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আগামী বছর অর্ধকুম্ভ। তার ঠিক আগেই হর কি পৌরি এলাকায় অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গঙ্গা সভা। এই ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করছে উত্তরাখণ্ড সরকারও। এর মধ্যেই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, দু’জন তরুণ আরব মুসলিমদের মতো পোশাক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর কি পৌরিতে। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। কিন্তু পরে জানা যায়, ওই দুই তরুণ আদপে হিন্দু। এবং তাঁরা নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলের শুটিং করতে এসেই এই পোশাক পরেছিলেন। এরপর গঙ্গাসভার তরফে সমস্ত সরকারি বিভাগ, অন্য সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমগুলির কাছে আর্জি জানায়, তারা যেন তাদের অহিন্দু কর্মীদের এই এলাকায় না পাঠায়। এলাকার শুদ্ধতা বজায় রাখার জন্যই তা দরকার বলে দাবি করা হয়েছে।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন