দেশের অনগ্রসর শ্রেণির বা সংরক্ষণের বাইরে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষের সংখ্যাটা ঠিক কত, সেই তথ্য থাকা উচিত সরকারের কাছে। এবার জাতগণনায় পক্ষেই একপ্রকার সায় দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানাল, জাতগণনা হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত সরকারের। তাতে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না। তবে, সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নতির স্বার্থেই সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য থাকা দরকার।
আরও পড়ুন:
এ বছর জনগণনার সঙ্গে সঙ্গে জাতিগত জাতগণনার (Caste Census) সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সেটা যাতে না করা হয়, সেই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে। তবে শীর্ষ আদালত ওই জাতগণনায় কোনও নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ দিল না। সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, “জাতিগত জনগণনা হওয়া উচিত কি না সেটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। তাতে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না।” শীর্ষ আদালত বলছে, “সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নতির স্বার্থেই সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত তথ্য থাকা উচিত।”
মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, জাতিগত জনগণনা হলে সেই তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে। সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানাবিধ জটিলতা তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই তত্ত্বকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট। তাছাড়া জনগণনার মধ্যে জাতগণনাকে রাখা হবে কিনা, সেটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। আদালত সেটার পর্যালোচনা করতে পারে না।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জাতিগত জনগণনার দাবিতে বহুদিন আগেই সরব হয়েছিলেন। বাকি বিরোধী দলগুলির তরফেও একই দাবি করা হয়েছিল। এনডিএ শরিক দল এলপিজি প্রধান সাংসদ চিরাগ পাসওয়ান, জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার বার বার জাতগণনার দাবিতে সরব হয়েছে। এমনকি খোদ আরএসএসও জাতগণনার পক্ষে মত দিয়েছে। বিহার-সহ দেশের একাধিক রাজ্যও আলাদা আলাদাভাবে জাত গণনার পথে হেঁটেছে। শেষে একপ্রকার বাধ্য হয়ে মোদি সরকারও জাতগণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বদলের বঙ্গে স্বাধীনতা দিবসে ভাষণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী, মোদির পরই সম্প্রচারিত হবে শুভেন্দুর বার্তা
-
ফের উত্তরাখণ্ডের টানেলে দুর্ঘটনা, সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত-ধস, ভিতরে আটকে অন্তত ১০ শ্রমিক
-
উত্তম শতবর্ষিকীতে বিশেষ প্রদর্শনী, মিঠুন-প্রসেনজিৎকে সঙ্গে নিয়ে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
মুঘলদের ব্যবহৃত ‘টিস্যু পেপার’ই আজ বাঙালির প্রিয় ‘পদ’! জানেন কোন খাবার?
-
খেলার সময় ৪ ভাইঝিকে পরপর হাসুয়ার কোপ কাকার! মৃত্যু এক শিশুর, সুতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য