ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যে শিল্প খরা কাটানোই লক্ষ্য শুভেন্দু প্রশাসনের। আদানি গোষ্ঠীর পর এবার আম্বানিও। রাজ্যে ফের বিনিয়োগের বন্যা আসতে চলেছে! রিলায়েন্স কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে অবশ্য তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সন্ধেয় মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকে বসেন শুভেন্দু। সেই বৈঠকের একটি ছবি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা, শিল্প ও নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এদিন নবান্নে।
রিলায়েন্সের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে উদ্যোগী আম্বানি গ্রুপ। পাঁচটি সেক্টরে বিনিয়োগ করবে রিলায়েন্স। আগের সব ঢপবাজি এখন থেকে বন্ধ। এবার শুধু কাজ হবে।”
আরও পড়ুন:
রাজ্যে কমপক্ষে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে রিলায়েন্স গ্রুপ, গত বুধবার বুধবার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে শিল্পের জন্য জমি বিতরণ অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সেকথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে কোন কোন সেক্টর, তা পরে নবান্ন থেকে ঘোষণা করবেন বলে জানান তিনি। এদিন সন্ধেয় রিলায়েন্সের একঝাঁক কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক যে সেই কথাতেই সিলমোহর দিল, তা বলাই বাহুল্য। এদিন অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান শ্রী হর্ষবর্ধন নেওটিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

২৩ সেপ্টেম্বর একটি অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি আসছে। এই আবহে পুজোর আগেই পশ্চিমবঙ্গে আম্বানিদের বিনিয়োগের জোয়ার আসতে চলেছে, তেমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসনিক মহলে। এদিন ঘাটালে দাঁড়িয়ে রিলায়েন্সের বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে উদ্যোগী আম্বানি গ্রুপ। পাঁচটি সেক্টরে বিনিয়োগ করবে রিলায়েন্স। আগের সব ঢপবাজি এখন থেকে বন্ধ। এবার শুধু কাজ হবে।” বলে রাখা ভালো, গত সপ্তাহে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে আম্বানিদের বাসভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই মুকেশ আম্বানির সঙ্গে রাজ্যে বিনিয়োগ নিয়ে কথা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগে হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে। স্টিল প্ল্যান্টের শিলান্যাস হয়েছে। শুরু হয়েছে আমূলের কারখানাও। লাক্স কোজির সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। একাধিক শিল্পপতিরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকার শিল্প-বিনিয়োগের অগ্রগতি নিয়ে বার্তা দিচ্ছে। শুধু বিনিয়োগ নয়। বিনিয়োগের মাধ্যমে আদৌ বাংলায় কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই বিনিয়োগকারীদের রাজ্যে শিল্প তৈরির বন্দোবস্ত করায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী