INS Malvan

জলেও স্বস্তি নেই ভারত-শত্রুর, এবার নৌবাহিনীতে সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ‘মালভান’

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে আত্মনির্ভর ভারতের দক্ষতাকে প্রমাণ করল 'আইএনএস মালভান'। যেটি নির্মাণ করেছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৯:৫১

options
link
জলেও স্বস্তি নেই ভারত-শত্রুর, এবার নৌবাহিনীতে সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ‘মালভান’
'আইএনএস মালভান'-এর অন্তর্ভুক্তি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

জলপথে আরও বাড়ল ভারতীয় সেনার শক্তি। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হল যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস মালভান’ (INS Malvan)। এটি মাহে-শ্রেণির দ্বিতীয় অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট। আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এই দেশীয় যুদ্ধজাহাজ উপকূলীয় অগভীর জলসীমায় শত্রুপক্ষের সাবমেরিন শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘আইএনএস মালভান’-এর অন্তর্ভুক্তি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে, মনে করছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

Advertisement

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে আত্মনির্ভর ভারতের দক্ষতাকে প্রমাণ করল ‘আইএনএস মালভান’। যেটি নির্মাণ করেছে কেরলের কোচির কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। এই যুদ্ধজাহাজটিতে ৮০ শতাংশেরও বেশি দেশীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্বনির্ভরতার একটি বড় উদাহরণ। উল্লেখ্য, অতীতে ভারতীয় নৌসেনার একটি জাহাজের নাম ছিল আইএনএস মালাভান। ১৯ বছর কাজ করার ২০০৩ সালে যেটিকে বাতিল করা হয়।

Advertisement

বিশেষভাবে সমুদ্রের অগভীর এলাকায় অভিযান চালানোর জন্যই তৈরি করা হয়েছে মাহে-শ্রেণির এই অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ। আকারে তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং দীর্ঘ সময় সমুদ্রে কার্যক্ষম থাকার উপযোগী। উন্নত সেন্সর, নজরদারি ব্যবস্থা এবং সাবমেরিন শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূলবর্তী অঞ্চলে শত্রুপক্ষের সাবমেরিনের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখতে সক্ষম হবে ‘মালভান’। বলা বাহুল্য, নৌবাহিনীতে আইএনএস মালভান অন্তর্ভুক্তি জলপথে সেনার শক্তিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.