INS Aridhaman

কাঁপন ধরবে চিনের হৃদয়ে! শীঘ্রই সাগরে ভারতের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিদমন’

ইতিমধ্যেই দু'টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ভারতের ভাঁড়ারে। সেগুলি হল 'অরিহন্ত' ও 'অরিঘাত'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৭:০৪

options
link
কাঁপন ধরবে চিনের হৃদয়ে! শীঘ্রই সাগরে ভারতের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিদমন’
১৯৭১-এ ভারত-পাক যুদ্ধের পরই জলপথে পারমাণবিক সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল ভারত।

আর মাস দুই। তার মধ্যেই জলে ভাসতে চলেছে ভারতের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিদমন’। মনে করা হচ্ছে সম্প্রতি ভারত মহাসাগরে যেভাবে চিন নজরদারি করতে শুরু করেছে, তার বড়সড় উত্তর হতে চলেছে এই শক্তিশালী ডুবোজাহাজটি। এতদিন পর্যন্ত দু’টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে ভারতের ভাঁড়ারে। সেগুলি হল ‘অরিহন্ত’ ও ‘অরিঘাত’।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, পারমাণবিক সাবমেরিনের মোটামুটি দু’টি শ্রেণি রয়েছে। যার অন্যতম হল ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’ বা এসএসবিএন। এরা এক দিকে যেমন পরমাণু শক্তি দ্বারা চালিত, পাশাপাশি পারমাণবিক হামলাতেও সক্ষম। অরিদমন তৈরি করেছে এলঅ্যান্ডটি। বিশাখাপত্তনমের জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রে এটি নির্মিত হয়েছে। এই ডুবোজাহাজে ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার কে-১৫ এবং অনির্দিষ্ট সংখ্যক কে-৪ পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল থাকবে, যার পাল্লা ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পারমাণবিক সাবমেরিনের মোটামুটি দু’টি শ্রেণি রয়েছে। যার অন্যতম হল ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’ বা এসএসবিএন। এরা এক দিকে যেমন পরমাণু শক্তি দ্বারা চালিত, পাশাপাশি পারমাণবিক হামলাতেও সক্ষম।

আধুনিক রণকৌশল বলছে, একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের উপর অন্য একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র যদি পরমাণু হামলা চালায়, তা হলে এমন ভাবে হামলা চালানো হবে যাতে প্রতিপক্ষের ভূখণ্ডে যত পারমাণবিক পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলির সব ক’টিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। সেই কারণেই ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ বা পরমাণু হামলা চালানোর বিকল্প পরিকাঠামো হাতে থাকা জরুরি। স্থলভাগে যে সব পরমাণু পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলিতে প্রতিপক্ষ হামলা চালাতে সক্ষম হলেও সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতি করা সম্ভব হয় না।

Advertisement

কারণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কোথায় কখন লুকিয়ে থাকে, তা প্রতিপক্ষ বুঝতেই পারে না। আর সেই কারণেই এই ধরনের সাবমেরিন যত বেশি হাতে থাকবে ততই চিনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাবে ভারত। ১৯৭১-এ ভারত-পাক যুদ্ধের পরই জলপথে পারমাণবিক সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল ভারত। প্রক্রিয়া শুরু হয় তখনই। অবশেষে ২০১৬ সালে শেষের দিকে প্রথম সেনার হাতে আসে ‘অরিহন্ত’। এবারে তিন নম্বর পারমাণবিক সাবমেরিনও কাজ শুরু করতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, এখানেই শেষ নয়। চার নম্বর সাবমেরিনটিও এবছরের মধ্যেই সমুদ্রে নামতে চলেছে।

পরমাণু অস্ত্র নিয়ে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কোথায় কখন লুকিয়ে থাকে, তা প্রতিপক্ষ বুঝতেই পারে না। আর সেই কারণেই এই ধরনের সাবমেরিন যত বেশি হাতে থাকবে ততই চিনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাবে ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন