Uttar Pradesh

রোগ সারানোর নামে একরত্তির দাঁত ভেঙে মেঝেয় আছাড় ওঝার, মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৩, ১০:০৫

options
link
রোগ সারানোর নামে একরত্তির দাঁত ভেঙে মেঝেয় আছাড় ওঝার, মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুস্থ-স্বাভাবিক হয়ে উঠবে সন্তান। দূর হবে সব রোগ। এই আশা নিয়েই এক বছরের শিশুকে ওঝার হাতে তুলে দিয়েছিলেন অভিভাবকরা। কিন্তু তার যে এমন করুণ পরিণিত ঘটবে, তা হয়তো ভাবেননি তাঁরাও। রোগ সারানোর নামে শিশুটির দাঁত ভেঙে মেঝেয় আছাড় মারা হল। আর তাতেই প্রাণ হারাল সে।

Advertisement

ঘটনা উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বুলন্দশহর জেলার ধাকর গ্রামের। মৃত শিশুর নাম অনুজ। তার আত্মীয় সৌরভ জানান, শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তার জন্য তাকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ওঝার কাছে নিয়ে যান অভিভাবকরা। আর সেখানেই ঘটল মর্মান্তিক পরিণতি। কুসংস্কারের ফল যে কী মারাত্মক হতে পারে, সেই প্রমাণই ফের মিলল। অভিযোগ, রোগমুক্তির নামে ওই তান্ত্রিক প্রথমে শিশুর দাঁত ভেঙে দেয়। এরপর তাকে আছড়ে মাটিতে ফেলে। আর তাতেই জ্ঞান হারায় একরত্তি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ডেটলে মুখ ধুয়ে আসুন’, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় কংগ্রেসকে খোঁচা নির্মলার]

সন্তানকে অচেতন অবস্থায় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিভাবকরা। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন তাঁরা। কিন্তু সেখানেই চিকিৎসকরা বাচ্চাটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। মৃতদেহ নিয়েই থানায় হাজির হন তাঁরা। তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই তান্ত্রিককে গ্রেপ্তার করা হয়। শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই এমনই ভয়ংকর এক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল মধ্যপ্রদেশ। চিকিৎসার নামে একরত্তিকে ৫১ বার গরম রডের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছিল তাকে। পরে চিকিৎসকরা জানান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল সে। সেই মৃত্যু ঘিরেও ছড়ায় চাঞ্চল্য়। এবার যোগীরাজ্যে ধরা পড়ল অন্ধবিশ্বাসের ছবি।

[আরও পড়ুন: বিতর্কের মাঝে জমি মিউটেশনের আবেদন অমর্ত্যর, ২০ ফেব্রুয়ারি শুনানির সম্ভাবনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.