সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত কিংবদন্তি কন্নড় ঔপন্যাসিক এসএল ভৈরপ্পা। বুধবার ৯৪ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ‘বংশবৃক্ষ, ‘দাতু’, ‘পর্ব’, ‘মান্দারা’ প্রভৃতি খ্যাতানামা উপন্যাসের স্রষ্টার। পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ সম্মানপ্রাপ্ত কন্নড় সাহিত্যিকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
কর্নাটকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ভৈরপ্পা। ওই হাসপাতালের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কিংবদন্তি ভারতীয় ঔপন্যাসিক, দার্শনিক, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং সরস্বতী সম্মানপ্রাপ্ত এসএল ভৈরপ্পা আজ দুপুর ২ টো বেজে ৩৮ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন।”
In the passing of Shri S.L. Bhyrappa Ji, we have lost a towering stalwart who stirred our conscience and delved deep into the soul of India. A fearless and timeless thinker, he profoundly enriched Kannada literature with his thought-provoking works. His writings inspired… pic.twitter.com/ZhXwLcCGP3
Advertisement— Narendra Modi (@narendramodi) September 24, 2025
ভৈরাপ্পা তাঁর উপন্যাস ‘বংশবৃক্ষ’, ‘দাতু’, ‘পর্ব’, ‘মন্দারা’র জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ভারত বিখ্যাত এই সাহিত্যিকের বেশিরভাগ রচনা ইংরাজি এবং অন্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে। লেখকের ‘নাই-নেরালু’, ‘মাতাদানা’, ‘বংশবৃক্ষ’, ‘তব্বালিউ নিনাদে মাগনে’ অবলম্বনে সিনেমা তৈরি হয়েছে। ‘গৃহভাঙ্গা’ এবং ‘দাতু’ নিয়ে টিভি সিরিয়াল নির্মিত হয়েছে। তিনি পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী, সরস্বতী সম্মান এবং সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন।
এসএল ভৈরপ্পার মৃত্যু শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ভৈরপ্পা ছিলেন “একজন নির্ভীক এবং কালজয়ী চিন্তাবিদ। তাঁর চিন্তা ও চেতনামূলক রচনা দিয়ে কন্নড় সাহিত্যকে গভীরভাবে সমৃদ্ধ করেছিলেন তিনি। তাঁর লেখা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে…।”
সর্বশেষ খবর
-
‘লক্ষ্মী এল ঘরে’, আনন্দে নাচ প্রপিতামহীর! মাইক বাজিয়ে কন্যারত্নকে ঘরে আনল পরিবার
-
স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা মোটেই ভালো নয়! মাকে হারিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন গোবিন্দা?
-
‘কাঞ্চনের স্পার্ম কাউন্ট নিয়ে চিন্তায়…’, দ্বিতীয় সন্তান হতেই নিন্দুকদের কী জবাব শ্রীময়ীর?
-
বাংলার ডিম থেপারি এবার ইউরোপেও! কসোভোর ভরা পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর উপর ডিম বর্ষণ
-
‘কাঁটা’ হাসিনা, আগামী মাসে ভারত সফর এড়াচ্ছেন তারেক! ত্রিবেদীর কথায় কোন ইঙ্গিত?