মহারাষ্ট্রের সাত রাজ্যসভা আসনে হতে চলেছে নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনে লড়বেন অজিত পওয়ারের পুত্র পার্থ পওয়ার! এমনটাই দাবি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সোমবার অনেক রাত পর্যন্ত এনসিপি নেতা প্রফুল্ল প্যাটেলের বাসভবনে এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, কেবল প্রার্থী ঠিক করাই নয়, দলের পরবর্তী রাষ্ট্রীয় কার্যকারিণী বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়েও চর্চা হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে দলের জাতীয় সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হতে পারে অজিত পওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ারকে। উল্লেখ্য, ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮টা নাগাদ বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল অজিত পওয়ারের বিমান। উড়ানের ২৪ মিনিট পর কিছু সময়ের জন্য বিমানটি নজরদারি সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। কয়েক মিনিট পরে আবার সেই সংকেত ফিরে এলেও সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে বিমানটি পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে যায়। ওই সময়েই ঘটে দুর্ঘটনা। সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অজিতের। এবার তাঁর পুত্রকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হচ্ছে।
এদিকে বিজেপিও রাজ্যসভায় প্রার্থী কে হবে তা নিয়ে চর্চা শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের বাড়িতে বৈঠক হবে। সেখানেই প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে। চারটি আসনে প্রার্থী দেবে পদ্ম শিবির, সিদ্ধান্ত তেমনই। যার মধ্যে রামদাস আটাওয়ালের নাম একরকম ঠিক হয়েই গিয়েছে। বাকি তিন আসনে বিনোদ তাবড়ে, বিজয়া রহাটকর ও ধৈর্যশীল পটেলকে প্রার্থী করা হতে পারে।
এদিকে মহাবিকাশ আঘাড়ি তথা বিরোধী জোট, যেখানে এনসিপি ও শিবসেনার ঠাকরে শিবির রয়েছে, তাদের রয়েছে ৪৯ বিধায়কের সমর্থন। এই সংখ্যার উপরে ভরসা করে একজনকেই প্রার্থী করা যেতে পারে। এদিকে রাজনৈতিক সমীকরণের হিসেবে মহাজুটি গঠবন্ধন সবশুদ্ধ ৬ আসনে প্রার্থী দিতে পারে। সব মিলিয়ে রাজ্যসভা নির্বাচনে সরকারপক্ষেরই পাল্লা ভারী বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পানিহাটি শ্মশানঘাটে সেদিন কী ঘটেছিল? শুভেন্দুর নির্দেশের পরই নয়া এফআইআর অভয়ার বাবার
-
‘বান্ধবী’ কোমলের সঙ্গে বিমানবন্দরে গোবিন্দা! সুনীতার খোঁচা ‘ওঁর মতিভ্রম হয়েছে’
-
বিএনপি-র মহাসচিব থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি! দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের