Piyush Goyal

‘বারবার ভোটের ঝক্কিতে মানুষ বিরক্ত’, এক দেশ এক ভোটের পক্ষে সওয়াল পীযূষের

বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে রয়েছে ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ২১:৩৬

options
link
‘বারবার ভোটের ঝক্কিতে মানুষ বিরক্ত’, এক দেশ এক ভোটের পক্ষে সওয়াল পীযূষের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুদিনের জন্য ঠান্ডা ঘরে চলে যাওয়া এক দেশ এক ভোটের পক্ষে সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। শনিবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, “বারবার ভোটের ঝক্কিতে মানুষ বিরক্ত। ফলে এক দেশ এক ভোট একান্ত প্রয়োজনীয়। এতে প্রশাসনিক কাজের উন্নতির পাশাপাশি নির্বাচনের খরচ একধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে।”

Advertisement

এক দেশ এক ভোট কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে মোদি সরকার। বিরোধীরা এই ইস্যুতে তীব্র আপত্তি জানালেও সরকার এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নেন বদ্ধপরিকর। এই পরিস্থিতির মাঝেই দিল্লিতে বাণিজ্য সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ বলেন, “বারবার ভোট দেওয়াটা মানুষের কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর। তাছাড়া একটি রাজ্যে দফায় দফায় আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হলে প্রশাসনিক কাজ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়।” এ প্রসঙ্গে ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যের উদাহরণ টানেন মন্ত্রী। যেখানে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে হয়। পীযূষ বলেন, “এই রাজ্যগুলিতে একসঙ্গে নির্বাচন হওয়ার ফলে এখানে ভোটদাতার হার তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত বেশি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ প্রসঙ্গেই ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “যদি ব্যবসায়ীরা এক দেশ এক নির্বাচনের লক্ষ্যে মনস্থির করে ফেলেন, তাহলে আমরা প্রতিটি ভারতীয়র হৃদয় ছুঁতে পারব।” বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে ব্যবসায়ীদের জাতি ও ভাষা বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে আসার আহ্বানও জানান গোয়েল।

Advertisement

উল্লেখ্য, ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলের খসড়া অনুযায়ী, কখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে যদি বিধানসভা বা লোকসভা ভেঙে যায়, তা হলে শুধুমাত্র মেয়াদের বাকি সময়টুকুর জন্য লোকসভা বা বিধানসভা উপনির্বাচন হবে। তার পর থেকে সমস্ত স্তরের নির্বাচন একসঙ্গে হবে। তাতে বিপুল খরচে রাশ টানা যাবে বলে যুক্তি সরকারপক্ষের। আবার বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা-লোকসভা-পুরসভা-পঞ্চায়েত ভোট একসঙ্গে হলে গণতন্ত্রের বৈচিত্র নষ্ট হবে। একেকটা নির্বাচন হয় একেকটা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে। সেই সুযোগ হাতছাড়া হবে আমজনতার। এই ডামাডোলের মাঝেই ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলটি বর্তমানে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। তবে রিপোর্ট বলছে, ২০৩৪ সালের আগে ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতি লাগু হওয়া সম্ভব নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.