PM Modi

শুভেন্দুর হাতে খুলেছে আয়ুষ্মানের ‘তালা’, বঙ্গবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা মোদির

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে কার্যকর করা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৬:১২

options
link
শুভেন্দুর হাতে খুলেছে আয়ুষ্মানের ‘তালা’, বঙ্গবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা মোদির
বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর হতেই বঙ্গবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা মোদির।

বাংলায় বিজেপির সরকার গঠনের পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারতের তালা খুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবারই এই প্রকল্পে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে। এই ঘটনায় উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার সকালে বাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বললেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কল্যাণই আমাদের অগ্রাধিকার।’

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে কার্যকর করা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’, ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর মতো প্রকল্পগুলি।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের কল্যাণই আমার আগ্রাধিকার।’

নিজের এক্স হ্যান্ডেলেও সেই তথ্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বিবৃতি মঙ্গলবার সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের কল্যাণই আমার আগ্রাধিকার। আমি অত্যন্ত আনন্দিত বাংলার মানুষ এখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। যে প্রকল্প সর্বোচ্চ মানের সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য পরিসেবা নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে, ডবল ইঞ্জিনের সরকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রাজ্যে নির্বিঘ্নে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।’

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা দেশে সেই প্রকল্প কার্যকর হলেও বাংলায় সেই প্রকল্প লাগু করেননি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর যুক্তি ছিল, বাংলার নিজস্ব ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প রয়েছে। আলাদা করে কেন্দ্রের প্রকল্প চালু করার প্রয়োজন নেই। তবে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প থাকলেও এতে দুর্নীতি ভুরি ভুরি। অভিযোগ ওঠে, রাজ্যের বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালে এই স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা দেওয়া হয় না। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালের গা জোয়ারিতে বড়জোর ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুবিধা দেওয়া হয়। বাকি টাকা রোগীর পরিবারের পকেট কেটে আদায় করা হয়। জরুরি ভিত্তিতে কেউ হাসপাতালে ভর্তি হলে এই রাজ্যের স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাওয়া যায় না। তার চেয়েও বড় বিষয় রাজ্যের বাইরে স্বাস্থ্যসাথী সম্পূর্ণ অচল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.