ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে চলেছে আমেরিকার ‘বন্ধু’ সৌদি আরব, দিনকয়েক আগে এমনটাই শোনা গিয়েছিল। এবার সেই সৌদির রাজকুমারের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাহাজ চলাচলের পথ খোলা রাখা উচিত এবং সেই পথে নিরাপত্তা থাকা উচিত-এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে গোটা বিশ্বের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ইরান।
আরও পড়ুন:
শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘সৌদি আরবের রাজকুমার তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে ফোনে কথা হল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে। সেখানকার জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর হামলার নিন্দা করেছে ভারত, সেকথা আমি জানিয়েছি। জাহাজপথ নিরাপদে খুলে দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি, সেই প্রসঙ্গে একমত হয়েছি আমরা দু’জনেই। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানিয়েছি, সৌদিতে বসবাসকারী ভারতীয়দের পাশে থাকার জন্য।’ উল্লেখ্য, এই কথোপকথনের কয়েকঘণ্টা আগেই হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে ভারতের দুই গ্যাসবাহী জাহাজ।
تحدثتُ مع صاحب السمو الملكي الأمير محمد بن سلمان بن عبدالعزيز آل سعود، ولي العهد ورئيس مجلس الوزراء السعودي، وناقشنا الصراع الدائر في غرب آسيا.
Advertisementوجددتُ التأكيد على إدانة الهند للهجمات التي تستهدف البنية التحتية الإقليمية للطاقة.
واتفقنا على ضرورة ضمان حرية الملاحة، وإبقاء خطوط…
— Narendra Modi (@narendramodi) March 28, 2026
দিনকয়েক আগেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ল স্ট্রিট জার্নালে’ দাবি করা হয়, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী সরাসরি ইরান যুদ্ধে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দুই দেশ নিজেদের বিমানঘাঁটি এবং ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি আমেরিকাকে দিয়েছে, এমনটাও শোনা গিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতকে স্পষ্ট নিজেদের বন্ধু হিসাবে ঘোষণা করেছে ইরান। দিনদুয়েক আগেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করার জন্য কয়েকটি বন্ধু দেশকে ছাড় দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ভারত।
বন্ধুত্বের খাতিরে ইতিমধ্যেই তেল এবং গ্যাস নিয়ে ভারতের চারটি জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে এসেছে। একমাসব্যাপী যুদ্ধের মধ্যে এবার আরও দু’টি গ্যাসবাহী জাহাজ আসছে ভারতে। এহেন পরিস্থিতিতে সৌদির রাজকুমারকে ফোন করে ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করলেন প্রধানমন্ত্রী, এমনটাই মনে করছে বিশ্লেষকমহল। একদিকে ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে হরমুজ থেকে জাহাজ চলাচল করানো, অন্যদিকে হরমুজে ‘অবরোধ’ তুলে নেওয়ার পক্ষে সওয়াল- তেহরান এবং ওয়াশিংটন দুপক্ষকেই ‘হাতে রাখা’র চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি। এখনও পর্যন্ত সাফল্য পেয়েছে ভারতের এই কূটনীতি, মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সিআইডি সেজে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে অপহরণ করে ডাকাতি, তদন্তে পুলিশ
-
‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর, চলল গুলি, মৃত্যু তিন পাক সেনার
-
লেনিন নয়, হৃদয় সম্রাট শিবাজি! ‘লাল’ যাদবপুরে পালিত ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিবস’
-
লিঙ্কডিনে ফুটবলার খুঁজে বিশ্বকাপের নকআউটে! কেপ ভার্দের স্বপ্নের সওদাগর যে মানুষটা
-
জীবিকা হারানো হকারদের এককাট্টা করে আন্দোলনের প্রস্তুতি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’, ফের পথে মমতা!