আরও ভয়াবহ কেরলের বন্যা পরিস্থিতি, সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে কোচিতে মোদি

দেখুন ভয়াবহ মুহূর্তের ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৮, ২১:৪১

options
link
আরও ভয়াবহ কেরলের বন্যা পরিস্থিতি, সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে কোচিতে মোদি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন কেরল। ইতিমধ্যেই ৩২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত অসংখ্য মানুষ। লাফিয়ে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। রাজ্যজুড়ে দেড় হাজারেরও বেশি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। যাতে আশ্রয় নিয়েছেন ২ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ইতিমধ্যেই ৮০টি বাঁধের জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রশাসনকে। বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেরল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ হেলিকপ্টারে করে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের বন্যা কবলিত এলাকাগুলি খতিয়ে দেখবেন তিনি। ইতিমধ্যেই ফোনে বিজয়নের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন মোদি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি নদীতে ভাসানো হবে বাজপেয়ীর চিতাভস্ম, জানালেন যোগী]

গত ৯ দিনে অতিবৃষ্টি, ঝড় এবং ধসের কারণে গোটা দেশে মৃত্যু হয়েছে প্রায় হাজার জনের। এর মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি কেরলেই। যত দিন যাচ্ছে তত সামনে আসছে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা। ইতিমধ্যেই মোট ১২ টি জেলা কার্যত পুরোপুরি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এই জেলাগুলিতে আগামী দিনে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা আরও বাড়াচ্ছে উদ্বেগ। কোথাও জলের তোড়ে ভেঙে পড়ছে বাড়ি আবার কোথাও হড়পা বানে সৃষ্টি হচ্ছে ভূমিধ্বস। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এখনও ফেঁসে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

[বন্যায় আটকে পড়া অন্তঃসত্ত্বাকে উদ্ধারে চরম পদক্ষেপ সেনার, ভাইরাল ভিডিও]

ইতিমধ্যেই সেনার ১৬টি, বায়ুসেনার ৪২টি উপকূল রক্ষা বাহিনীর ২৮টি দল কেরলে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের ৩৯টি দল উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। এনডিআরএফের আরও ১৪ টি দল কেরলে যাচ্ছে। স্থল সেনা উদ্ধার কাজের জন্য প্রায় ২০০ টি নৌকা নামিয়ে দিয়েছে। আরও বেশ কিছু হেলিকপ্টার এবং উপকূল রক্ষা বাহিনীর বিশেষ নৌকা পাঠানো হচ্ছে কেরলে। নৌবাহিনীর একটি জাহাজ পানীয় জল এবং ওষুধ নিয়ে রওনা দিয়েছে কেরলের উদ্দেশ্যে। পৌঁছাবে আগামিকাল। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন। পাশের রাজ্য তামিলনাড়ুর সঙ্গেও বাঁধ মেরামতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাঁর। রাজনৈতিক তিক্ততা ভুলে কেরল সরকারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পাশে দাঁড়িয়েছে পাঞ্জাবের কংগ্রেস এবং দিল্লির আপ সরকার। দুই সরকারের তরফেই ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে ১০০ কোটি টাকার সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। তাতেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। গুজরাট বা অসমের বন্যার ক্ষেত্রে ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু কেরলের এত ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতেও মাত্র ১০০ কোটি টাকা কেন, প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন