PM Narendra Modi

মেগা এআই সামিটে মোদির ‘মানব ভিশন’, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন কুক্ষিগত না হয়’, সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

মোদির বার্তা, যে কোনও প্রযুক্তিই মানুষ এবং সমাজের কল্যাণের জন্য তৈরি হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানব কেন্দ্রিক হতে হবে। যদি সেটি মানব কেন্দ্রিক না হয়, তাহলে তার কোনও সারবত্তা নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৫:০৬

options
link
মেগা এআই সামিটে মোদির ‘মানব ভিশন’, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন কুক্ষিগত না হয়’, সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর
মেগা এআই সামিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নয়াদিল্লিতে মেগা এআই সামিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে নয়া এই প্রযুক্তি নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি। বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন কুক্ষিগত না হয়।”

Advertisement

মোদির বার্তা, যে কোনও প্রযুক্তিই মানুষ এবং সমাজের কল্যাণের জন্য তৈরি হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানব কেন্দ্রিক হতে হবে। যদি সেটি মানব কেন্দ্রিক না হয়, তাহলে তার কোনও সারবত্তা নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রথমবার যখন তার ছাড়াই সংকেত প্রেরণ করা হয়েছিল, তখন কেউ কল্পনাও করেননি যে সমগ্র বিশ্ব একদিন বাস্তব সময়ে সংযুক্ত হয়ে যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানব জাতীর ইতিহাসের এক বিরাট অধ্যায়। আজ আমরা যেটা দেখছি সেটা সূচনামাত্র।”

Advertisement

একইসঙ্গে তিনি জানান, এআই প্রযুক্তিকে কোনও রাষ্ট্র, সংস্থা বা গোষ্ঠী দ্বারা কুক্ষিগত করে রাখলে চলবে। মানব জাতীর উন্নতির স্বার্থে এই প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির রাশ এখন প্রধানত আমেরিকা এবং চিনের হাতে রয়েছে। প্রতিযোগীতায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার মোদির ভাষণে সেই কথাই যেন প্রতিফলিত হল। এরপরই মানব কেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নিয়ে ভারতের ‘মানব ভিশন’-এর সঙ্গে পরিচয় করান প্রধানমন্ত্রী। এই পরিকাঠামোর মূল ভিত্তি হল নৈতিক ও নীতিগত ব্যবস্থা, দায়বদ্ধতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্মুক্তকরণ এবং বৈধতা।

Advertisement
PM Narendra Modi shared MANAV vision
মোদির ‘মানব ভিশন’।

মানব কেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নিয়ে ভারতের ‘মানব ভিশন’-এর সঙ্গে পরিচয় করান প্রধানমন্ত্রী। এই পরিকাঠামোর মূল ভিত্তি হল নৈতিক ও নীতিগত ব্যবস্থা, দায়বদ্ধতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্মুক্তকরণ এবং বৈধতা।

উল্লেখ্য, ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন। চলবে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই সামিটে অংশ নিয়েছে বিশ্বের ৬৫টি দেশের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত রয়েছেন একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থার সিইওরা। গুগল, ডিপমাইন্ড, অ্যানথ্রপিক, অ্যাডোবি, সেলসফোর্স, কোয়ালকম এবং ফেডেক্সের শীর্ষকর্তারাও এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.