Narendra Modi

কেদার-বদ্রী দর্শনে প্রধানমন্ত্রী, এবারের দীপাবলি কাটাবেন উত্তরাখণ্ড সীমান্তে সেনাদের সঙ্গে

২১ অক্টোবর কেদারনাথে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২২, ২০:০০

options
link
কেদার-বদ্রী দর্শনে প্রধানমন্ত্রী, এবারের দীপাবলি কাটাবেন উত্তরাখণ্ড সীমান্তে সেনাদের সঙ্গে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবারও দীপাবলিতে (Diwali) ভারতীয় সেনার (Indian Army) সঙ্গে উৎসবে মাতবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। তার আগে পৌঁছে যাবেন কেদারনাথ (Kedarnath) ও বদ্রিনাথ (Badrinath) তীর্থ দর্শনে। উল্লেখ্য, গত আট বছর ধরে দিওয়ালির সময় ভারতীয় সেনার সঙ্গে উৎসবে মাততে দেখা গিয়েছে মোদিকে। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। তবে স্থান বদল হচ্ছে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ অক্টোবর কেদারনাথে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেদারে পুজো দেবেন তিনি। এছাড়াও কেদারনাথ প্রকল্পের (Kedarnath Project) কাজ পরিদর্শন করবেন। সেদিনই যাবেন বদ্রীনাথ মন্দির (Badrinath Temple) দর্শনে। বদ্রীনাথ মাস্টার প্ল্যানের (Badrinath Master Plan) কাজ ঘুরে দেখবেন। তবে ২৪ অক্টোবর প্রতিবারের মতো দিওয়ালি উৎসব উপভোগ করবেন ভারতীয় সেনার সঙ্গে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড়ো যাত্রা বন্ধ করে হিমাচল ও গুজরাট যান’, রাহুল গান্ধীকে আরজি কংগ্রেস নেতার]

এবার দিওয়ালিতে উত্তরাখণ্ডের (Uttrakhand) সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম মান্নাতে (Manna) যাবেন মোদি। সেখানে সেনাকর্মী ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে সময় কাটাবেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দিওয়ালিতে সিয়াচেন সীমান্তে (Siachen Border) ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ২০১৯ ও ২০২১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) রাজৌরি (Rajouri) জেলায় সীমান্তে সেনার সঙ্গে উৎসব উদযাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর ন্যায়বিচার না পেলে পণ্ডিত হত্যা বন্ধ হবে না, বিস্ফোরক ফারুক আবদুল্লা]

এদিকে সোমবারই দেশে প্রথমবার হিন্দি (Hindi) ভাষায় লেখা ডাক্তারি বই পড়ানো নিয়ে মতামত দিয়েছেন মোদি। রবিবার বইগুলি প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। হিন্দি ভাষার গুরুত্ব আরও বাড়ানোর দিকেই কেন্দ্র পদক্ষেপ করতে চাইছে বলে মত অনেকের। দক্ষিণের রাজ্যগুলি এই পদক্ষেপের নিন্দায় মুখর। তবে এই উদ্যোগের ফলে দেশে ইতিবাচক বদল আসবে বলেই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অমিত শাহর টুইট উদ্ধৃত করে টুইট করেন মোদি। লেখেন, “ডাক্তারি শিক্ষাক্ষেত্রে এই উদ্যোগ দেশে ইতিবাচক বদল আনবে। তার ফলে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া নিজেদের ভাষায় পড়তে পারবেন। তাঁরা আরও অনেক সুযোগ পাবেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন