Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Ananta Maharaj

‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে অনন্ত মহারাজ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে।

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২২:০৫

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২২:০৫

options
link
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের zoom
অনন্ত মহারাজ। ফাইল ছবি
Advertisement

বিগত কয়েকদিন ধরে চলা বিতর্কে রাশ টেনেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নেতাজির সম্পর্কে যাঁরা কটূক্তি করার দুঃসাহস দেখিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারির মতো কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এরপরেই জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের নাম নিয়ে। নেতাজিকে নিয়ে তাঁর করা মন্তব্যের জেরে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছে। তবে কি এবার গ্রেপ্তার করা হতে পারে তাঁকেও? তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এহেন নির্দেশের পরই সুর নরম অনন্ত মহারাজের। তিনি দাবি করেছেন, ‘কারো নামে বদনাম করিনি’। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যে তাঁর কথা হয়নি, সে কথাও জানিয়েছেন তিনি।

অনন্ত মহারাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন সেটা তার বিষয়। কোনও মিথ্যা কথা বা মনগড়া কথা আমি বলিনি। কারও নামে বদনাম করিনি, যেটা ইতিহাস সেটাই বলেছি। কাউকে গালাগালি করিনি। আমার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও কথা হয়নি।”

সম্প্রতি দিনহাটায় একটি কর্মসূচির শেষে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, কোচবিহারের মহারাজা সারা পৃথিবীকে স্বাধীন করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করে আরও বলেন, কোচবিহারের মহারাজা সারা পৃথিবীকে স্বাধীন করেছিলেন। মহাত্মা গান্ধী নেহরুর আন্দোলনে ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছে? এটা যদি হয় তাহলে বাকি রাষ্ট্রগুলো কীভাবে স্বাধীন হল? কোচবিহারের মহারাজা যুদ্ধ করে হিটলার এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে ডেস্ট্রয় করেছে। কোনও নেতাজির ক্ষমতা ছিল না আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরি করার।” এখানেই শেষ নয়,

Advertisement

অনন্ত মহারাজের কথায়, ”ব্রিটিশ সৈন্যদের জার্মান নিয়ে গিয়েছিল বন্দি করে। সেই জার্মান তাদেরকে নেতাজির হাতে তুলে দিয়েছিল। নেতাজি সেটাকে অপব্যবহার করেছে। কোচবিহারের মহারাজা কোন আজাদ হিন্দ ফৌজকে দণ্ড দেয়নি। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজ বন্দুক ধরেছিল। তাদের হাত ব্রিটিশ একমাত্র কেটে দেয়নি তার কারণ ছিল কোচবিহারের মহারাজা। আজ যদি কোচবিহারের মহারাজকে দেশের সম্রাট বানাত তাহলে হিন্দুস্তান পাকিস্তান ভাগ হতো না।” এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। থানায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে অনন্ত মহারাজ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। তবে কারও নাম নেননি তিনি। এই বিষয়ে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন সেটা তাঁর বিষয়। কোনও মিথ্যা কথা বা মনগড়া কথা আমি বলিনি। কারও নামে বদনাম করিনি, যেটা ইতিহাস সেটাই বলেছি। কাউকে গালাগালি করিনি। আমার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও কথা হয়নি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.