মামলা ছাড়তে স্ত্রীকে হেনস্তা পুলিশের, প্রদ্যুম্ন কাণ্ডে বিস্ফোরক আইনজীবী

মাথায় বন্দুক তাক করে নির্যাতন, অভিযোগ আইনজীবীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৩:৪৪

options
link
মামলা ছাড়তে স্ত্রীকে হেনস্তা পুলিশের, প্রদ্যুম্ন কাণ্ডে বিস্ফোরক আইনজীবী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। মামলা থেকে সরে দাঁড়িতে নিহতের পরিবারের আইনজীবীকে পুলিশি নির্যাতন। হেনস্তা করা হল তাঁর স্ত্রীকেও। এমনটাই অভিযোগ জানিয়েছেন আইনজীবী সুশীল টেকরিওয়াল।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় শহিদ কন্যাকে পুলিশি হেনস্তা, ভাইরাল ভিডিও ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হরিয়ানার রায়ান ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলে খুন হয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র প্রদ্যুম্ন ঠাকুর। ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন স্কুলেরই বাস কন্ডাক্টর। কিন্তু পুলিশি তদন্তে খুশি ছিল না পরিবার। তাঁদের আরজিতে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের কাছে। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, এক প্রভাবশালীর পুত্রই খুনি। তাকে বাঁচাতেই নির্দোষ কন্ডাক্টরকে ফাঁসানো হয়েছে। পুরো কৃতকর্মের জন্য দায়ী পুলিশই। সিবিআইয়ের নজরে ছিল চার পুলিশকর্মীও। এই পরিস্থিতিতে পুলিশমহলের রাগ ছিল প্রদ্যুম্নর পরিবারের আইনজীবীর উপর। তার জেরেই এ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

মধ্যযুগীয় বর্বরতা! পরপর তিন মেয়ের জন্ম দেওয়ায় গৃহবন্দি মা ]

পুলিশ কমিশনারের কাছে পুরো ঘটনা লিখিতভাবে জানিয়েছেন টেকরিওয়াল। শনিবার রাতে স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে একটি হোটেলে খাওয়াদাওয়া করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তিন পুলিশকর্মী তাঁদের দিকে এগিয়ে আসেন। একজন আইনজীবীর উপর চড়াও হয়। ধস্তাধস্তি চলে। সুশীলবাবুকে পিছনে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয়। তার পর মাথায় বন্দুক তাক করে বলা হয়, মামলা থেকে সরে না দাঁড়ালে মেরে ফেলা হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বলেও ছাড় পাননি তিনি। এই সময় তিনি তাঁর স্ত্রীকে পুরো ঘটনার ভিডিও করতে বলেন। তা করতে গিয়েই পুলিশের হেনস্তার মুখে পড়েন আইনজীবীর স্ত্রী মমতা ঠাকুরও। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থল থেকেই ১০০ ডায়াল করেন তিনি। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতে প্রায় পনেরো মিনিট সময় নিয়ে নেয়। তারপর কোনও অভিযোগ নিতেও অস্বীকার করে।

দাউদের লেনদেন চলে বিটকয়েনে, জেরায় কবুল ভাই ইকবাল কাসকরের ]

পুলিশের পোশাকে খোদাই নাম থেকে অবশ্য এক কর্মীকে শনাক্ত করতে পেরেছেন ওই আইনজীবী। সঞ্জীব কুমার যাদব নামে এই পুলিশের নামও তিনি জানিয়েছেন কমিশনারকে। অন্যদিকে পুলিশের অভিযোগ, প্রভাবশালী হওয়ার কারণে সুশীলবাবুই হোটেলের ভিভিআইপি চত্বরের নিয়ম ভেঙেছিলেন। নিজের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছিলেন। একটু অপেক্ষা করতে বললে, উলটে পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা শুরু করেন তিনি। তাঁর স্ত্রীও তাতে সঙ্গ দেন। দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, কোনওরকম হেনস্তা নয়। পুলিশ নিজের কর্তব্য করেছিল মাত্র।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.