Prashant Kishor

ভোটে হেরে ‘বৈরাগী’ মন! বিলাসবহুল বাংলো ছেড়ে আশ্রমবাসী হলেন প্রশান্ত কিশোর

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভোটকুশলী থেকে রাজনীতিবিদ। বিলাসবহুল 'বাংলো' ছেড়ে প্রশান্ত কিশোর এবার 'আশ্রমবাসী' হচ্ছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ২০:২৫

options
link
ভোটে হেরে ‘বৈরাগী’ মন! বিলাসবহুল বাংলো ছেড়ে আশ্রমবাসী হলেন প্রশান্ত কিশোর
প্রশান্ত কিশোর। ফাইল ছবি।

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভোটকুশলী থেকে রাজনীতিবিদ। কিন্তু প্রথমবার ভোট ময়দানে নেমে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে তাঁর দল। এবার সম্ভবত ‘বৈরাগী’ হচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। বিলাসবহুল ‘বাংলো’ ছেড়ে প্রশান্ত কিশোর এবার ‘আশ্রমবাসী’ হচ্ছেন।

Advertisement

প্রশান্ত কিশোর, ভারতীয় রাজনীতিতে নির্বাচনী রণকৌশলী হিসাবে যিনি সবচেয়ে সফল। এই পেশাটাকে জনপ্রিয় করে তোলার মূল কারিগর। ভোটকুশলী হিসাবে যার স্ট্রাইক রেট প্রায় ৯০ শতাংশ, এ হেন পিকে বছর তিনেক আগে আচমকা নিজের পুরনো পেশা ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন। শুধু পা রাখেন বলা ভুল, রীতিমতো মহাযজ্ঞ জুড়ে দেন। বিহারে প্রথমে জন সুরাজ নামের একটি অভিযান শুরু করেন প্রশান্ত। বছর দু’য়েক বিহারের গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রচার শুরু করেন তিনি। পরে নিজের দল খুলে ভোট ময়দানে অবতীর্ণ হন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভোটের প্রচারপর্বে বেশ জনপ্রিয়তা পান তিনি। সোশাল মিডিয়ায় তাঁর অনুগামীর সংখ্যাটাও বেশ তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ভোটের ফলের পর দেখা যায়, জন সুরাজ সেভাবে কোনও প্রভাবই ফেলতে পারেনি। মোটে সাড়ে ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। কোনও আসন জোটেনি। নির্বাচনে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পর রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে একপ্রকার নিজেকে বিরত রেখেছেন তিনি। মাঝে একবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শোনা যায়, আগের মতো ভোটে পরামর্শ দেওয়াও শুরু করেছেন। তামিলনাড়ুর ভোটে বিজয় তাঁর পরামর্শ মতো কাজ করেছেন। আবার উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবকেও নাকি তিনি পরামর্শ দেবেন। এসবের মধ্যেই পিকে জানিয়ে দিলেন, তিনি আর পাটনা বিমানবন্দরের কাছের বাংলোয় থাকছেন না। বৃহস্পতিবার থেকে তাঁর ঠিকানা পাটনার কাছের নবনির্মাণ আশ্রম।

Advertisement

পিকে জানিয়েছেন, বিহারের আগামী বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত আশ্রমেই থাকবেন তিনি। এতদিন তিনি থাকতেন তাঁর দলেরই সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় সিংয়ের বাংলোয়। আর সেখানে থাকবেন না। তবে তাঁর দল এখনই রাজনীতি থেকে সরছেন না। পিকের বক্তব্য, “আমি আগামী বিধানসভা ভোট পর্যন্ত এই আশ্রমেই থাকব। আশা করি আগামী বিধানসভায় আমার দল ভালো করবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন