Sahitya Akademi Award

সম্মানিত ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’, সাহিত্য অকাদেমি পাচ্ছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে 'বালি ও তরমুজ', 'উত্তর কলকাতার কবিতা', 'উন্মেষ গোধূলি', 'বঙ্গীয় চতুর্দশপদী', 'আনন্দভিখিরি', 'অভিসময়: কালী' ইত্যাদি। 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটির জন্য এই সম্মান পাচ্ছেন কবি।

Advertisement
কিশোর ঘোষ
কিশোর ঘোষ

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৭:৩৭

options
link
সম্মানিত ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’, সাহিত্য অকাদেমি পাচ্ছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
গত শতাব্দীর সাতের দশকের অন্যতম প্রধান কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পাচ্ছেন বাংলা কবিতার স্বতন্ত্র স্বর ‘বালি ও তরমুজ’-এর কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। দেজ পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ গ্রন্থটির জন্য এই সম্মান পেতে চলেছেন তিনি। বাংলার কাব্যজগতে ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’-র কবি হিসাবে অধিক পরিচিত প্রসূন। বুধবার পুরস্কার প্রাপক হিসেবে তাঁর নাম ঘোষিত হওয়ার পর বাংলার কবি ও সাহিত্যিক মহল বলছে— যোগ্যের প্রকৃত সম্মান।  

Advertisement

সোমবার বাংলা-সহ ২৪টি ভাষায় পুরস্কার ঘোষণা করেছে সাহিত্য অকাদেমি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে ছ’টি ছোটগল্পের বই, একটি প্রবন্ধের বই, একটি সমালোচনা সাহিত্যের বই, একটি আত্মজীবনী, দু’টি স্মৃতিকথা সংক্রান্ত বই এবং ৮টি কবিতার বই। এই তালিকাতেই রয়েছেন বাংলা ভাষার প্রতিনিধি গত শতাব্দীর সাতের দশকের অন্যতম প্রধান কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সাতের দশকে প্রকাশিত প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘বালি ও তরমুজ’ কাব্যগ্রন্থটি পাঠকমহলে আলোড়ন ফেলে। শুরুতেই স্বতন্ত্র এবং গভীর স্বরে নিজেকে আলাদা করে চেনান এই কবি। পরিবর্তীকালে ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’ বাংলা কবিতায় স্থায়ী আসন দিয়েছে প্রসূনকে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘উন্মেষ গোধূলি’, ‘বঙ্গীয় চতুর্দশপদী’, ‘আনন্দভিখিরি’, ‘অভিসময়: কালী’ ইত্যাদি। ‘রাবণ’ থেকে প্রকাশিত হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কাব্যসংগ্রহ’। 

Advertisement

সোমবার বাংলা-সহ ২৪টি ভাষায় পুরস্কার ঘোষণা করেছে সাহিত্য অকাদেমি কর্তৃপক্ষ।

সাহিত্য অকাদেমি প্রাপ্তিতে খুশি কবি। সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে তিনি বলেন, “কীভাবে এই প্রাপ্তি এল জানি না। এটা একটা রহস্য। তবে আমি খুশি।” যোগ করেন, “আমি তো আমার কাজ নিয়েই থাকি। ফুটবল আমার প্রিয় খেলা। এখন অবশ্য আর ফুটবল নিয়ে লিখি না। কেবল দর্শক। কাল রাতেই টটেনহাম-লিভারপুলের ম্যাচ দেখেছি। এই মুহূর্তে নিজের অগ্রন্থিত কবিতাগুলি নিয়ে কাজ করছি। যে সব পুরনো লেখা ছাপা হয়েছে বা হয়নি, এদিকে-ওদিকে পড়েছিল, তাদের একত্রিত করছি।”

পৃথিবীর অন্য ভাষার মতোই বাংলাতেও দু’টি স্বরে কবিতা লেখা হয়। একটি তুলনায় উচ্চকিত, বর্ণনাধর্মী, খানিক সহজবোধ্যও বটে। ফলে জনপ্রিয়। দোষের নয় নিশ্চয়ই। তবে অন্যটি জীবনানন্দের মতো খানিক চাপা, স্বগতোক্তির মতো। বহুস্তরীয়, রূপকধর্মী। অবোধ্য না হলেও দুর্বোধ্য কখনও কখনও। বঙ্গের কবিতাপ্রেমী পাঠক জানেন, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কবি। ‘চিৎকার’ ও ‘আত্মপ্রদশর্নী’র পৃথিবীতে সুয়োরানি সেই কবিতার স্বীকৃতি নিভৃতে গভীরতার চর্চাকে সমর্থন যোগাল।       

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন