Delhi

সন্তান চেয়ে কাড়াকাড়ি স্বামী-লিভ ইন সঙ্গীর, দিল্লিতে প্রেমিকের ছুরির কোপে খুন অন্তঃসত্ত্বা

লিভ ইন থেকে বেরিয়ে সম্প্রতি স্বামীর কাছে ফিরেছিলেন ওই তরুণী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১৭:৩৯

options
link
সন্তান চেয়ে কাড়াকাড়ি স্বামী-লিভ ইন সঙ্গীর, দিল্লিতে প্রেমিকের ছুরির কোপে খুন অন্তঃসত্ত্বা
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামীকে ছেড়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। ছিলেন লিভ ইন সম্পর্কে। কিন্তু প্রেমিককে ছেড়ে আবার স্বামীর কাছে ফিরে যেতেই সমস্যার সূত্রপাত। সম্পর্কের এমন মারাত্মক জটিলতার জেরে দিল্লিতে খুন হলেন এক অন্তঃসত্ত্বা। মৃত্যু হল লিভ ইন পার্টনারেরও।

Advertisement

শনিবার রাতে দিল্লির কুতুব রোডে ঘটেছে জোড়া খুনের ঘটনাটি। মৃত্যু হয়েছে ২২ বছর বয়সি অন্তঃসত্ত্বা শালিনীর। জানা গিয়েছে, আকাশ নামে এক রিকশাচালকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল শালিনীর। দুই সন্তানও রয়েছে তাঁদের। শনিবার মায়ের সঙ্গে দেখা করে ফিরছিলেন শালিনী, সঙ্গে ছিলেন আকাশও। সেই সময়েই আচমকা পথ আটকে দাঁড়ান শৈলেন্দ্র। এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারতে থাকেন আকাশ এবং শালিনীকে।

Advertisement

কিন্তু আচমকা শৈলেন্দ্রর এমন আচরণ কেন? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকবছরে আকাশ এবং শালিনীর বৈবাহিক সম্পর্কে বহু টানাপোড়েন হয়েছে। তার জেরেই শৈলেন্দ্রর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান শালিনী। বেশ কিছুদিন লিভ ইনও করেন তাঁরা। তবে সম্প্রতি ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন শালিনী-আকাশ। তাতেই খেপে যান শৈলেন্দ্র। এহেন পরিস্থিতিতে তিনি জানতে পারেন, মা হতে চলেছেন শালিনী। গর্ভস্থ সন্তানকে নিজের বলে দাবি করেন শৈলেন্দ্র।

Advertisement

সেই দাবি নিয়েই শনিবার শালিনী-আকাশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন শৈলেন্দ্র। সেই দাবি অস্বীকার করেন আকাশ। সেই থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ছুরি দিয়ে শৈলেন্দ্র কোপাতে থাকেন আকাশকে। পরে শালিনীকেও ছুরির কোপ দেন শৈলেন্দ্র। ঘটনাক্রমে ছুরি কেড়ে নিয়ে আকাশও পালটা কোপ দেন শৈলেন্দ্রর উপরে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে শালিনী এবং শৈলেন্দ্রকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আকাশ। তবে প্রকাশ্যে এমন ঘটনার জেরে রীতিমতো আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয়রা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.