Independence Day

‘ন্যায় সংহিতা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি’, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ভাষণ রাষ্ট্রপতির

সুযোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠার দিকে এগোচ্ছে, মত দ্রৌপদী মুর্মুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৪, ১৫:২৭

options
link
‘ন্যায় সংহিতা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি’, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ভাষণ রাষ্ট্রপতির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই ভাষণে তাঁর মুখে উঠে এল ন্যায় সংহিতার কথা। রাষ্ট্রপতি বললেন, নতুন ন্যায় সংহিতা আসলে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি। এছাড়াও বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারতের পঞ্চম স্থানে উঠে আসা, নারী ক্ষমতায়নের মতো একাধিক বিষয় এদিন নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

Advertisement

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ভাষণের শুরুতেই প্যারিস অলিম্পিকে পদকজয়ী অ্যাথলিটদের শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি। শুভেচ্ছা জানান টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকেও। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান নির্বাচন কমিশন এবং নিরাপত্তারক্ষীদের। এছাড়াও প্রত্যেক ভোটকর্মীকে রাষ্ট্রপতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা উচিত’, আর জি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিজিৎ

মোদি সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রশংসাও করেন রাষ্ট্রপতি। নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেছিলেন, দেশজুড়ে ১ কোটি যুবক-যুবতীকে ইন্টার্নশিপ দেওয়া হবে। সেই ঘোষণার ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় রাষ্ট্রপতির ভাষণে। এছাড়াও তিনি বলেন, সুযোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে ওঠার দিকে এগোচ্ছে।

Advertisement

তার পরেই ন্যায় সংহিতার ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় রাষ্ট্রপতির ভাষণে। গত ১ জুলাই দেশজুড়ে কার্যকর হয় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা। দেশে অপরাধ দমনে ঔপনিবেশিক আইন বদলে নতুন আইন কার্যকরের এই যাত্রা বহু আগেই শুরু করেছিল মোদি সরকার। গত বাদল অধিবেশনে ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) বদলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita), কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (CrPC) আইনের পরিবর্তে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন বা IEC-এর জায়গায় ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (BSA) – এই তিন বিকল্প আইনে প্রস্তাব পেশ হয় সংসদে। পরবর্তী শীতকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের আপত্তি উড়িয়ে নয়া তিন আইন পাশ হয়ে যায়। সেই আইন কার্যকর হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতির মত, এই আইন আসলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি।

[আরও পড়ুন: অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা! RG Kar কাণ্ডকে উন্নাও-হাথরাসের সারিতে বসালেন রাহুল গান্ধী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন