Priyanka Gandhi

‘পুরুষদের ধর্ষণে সবাই চুপ’, কেরলে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর ‘আত্মহত্যা’য় RSSকে তোপ প্রিয়াঙ্কার

আরএসএসের বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত শুরু হয়নি এখনও পর্যন্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১৩:৪৭

options
link
‘পুরুষদের ধর্ষণে সবাই চুপ’, কেরলে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর ‘আত্মহত্যা’য় RSSকে তোপ প্রিয়াঙ্কার
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরএসএসে বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনে আত্মঘাতী হয়েছেন কেরলের এক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। এই বিস্ফোরক অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়ে সরব হলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সোশাল মিডিয়ায় ওয়ানড়ের সাংসদ লিখেছেন, এই ঘটনাটি ভয়াবহ। আরএসএস নেতৃত্বের উচিত এই ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ করা। ডিওয়াইএফআইয়ের তরফেও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারির দাবি তোলা হয়েছে।

Advertisement

২৬ বছর বয়সি ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী কোট্টায়ামের থামাপালাক্কাড়ের বাসিন্দা ছিলেন। বৃহস্পতিবার তিরুঅনন্তপুরমের একটি লজ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত্যুর পর তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট ভেসে উঠেছে। সম্ভবত আত্মহত্যার আগে সেই পোস্টটি তিনি শিডিউল করে রেখেছিলেন। ওই পোস্টে আনন্দু বলছেন, কোনও প্রেমিকা নন, আর্থিক সমস্যা নয়, পারিবারিক অশান্তি নয়, তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী মানসিক অসুস্থতা। ছোটবেলায় সাংঘাতিক অত্যাচারের জেরেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর বক্তব্য, ছোটবেলায় তাঁর বাবাই তাঁকে আরএসএস শাখায় ভর্তি করেন। কিন্তু মাত্র ৩-৪ বছর বয়সেই শাখায় যৌন নির্যাতনের শিকার হন তিনি। এক ব্যক্তি লাগাতার ধর্ষণ করে তাঁকে। সংঘের অন্য স্বয়ংসেবকরাও নিয়মিত যৌন নির্যাতন করত। শুধু তাঁকে নয়, অন্য শিশুদেরও একইভাবে যৌন নির্যাতন করা হত। আনন্দুর অভিযোগ, ওই যৌন নিগ্রহ তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যে বড়সড় প্রভাব ফেলে। সেই ধাক্কা সামলাতে নিয়মিত ওষুধ খেতে হত তাঁকে। তারপরও সেই ট্রমা থেকে তিনি বেরোতে পারেননি। সেকারণেই আত্মহননের সিদ্ধান্ত।

Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর এমন মর্মান্তিক পরিণতি ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। এক্স হ্যান্ডেলে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ‘পুরুষদের ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে সকলেই চুপ করে থাকে। এই নীরবতা ভাঙা দরকার। এই ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে আরএসএসের বিভিন্ন সংগঠনে থাকা লক্ষ লক্ষ শিশুর ভবিষ্যৎ বিপন্ন। তাই আরএসএস নেতৃত্বকে এই ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে, নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে। যাবতীয় তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে আরএসএসকে।’ গোটা ঘটনায় আরএসএসের তরফে কিছুই বলা হয়নি। আপাতত ওই কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করছে কেরল পুলিশ। কিন্তু আরএসএসের বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত শুরু হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন