Pune Murder Case

পুলিশ হেফাজতে মদ্যপানের আবদার নির্লজ্জ সিয়ার! প্রকাশ্যে ‘খুনি’ প্রেমিকের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ’ ভিডিও

রবিবার সকালে সিয়াকে নিয়ে লোহাগড় দুর্গে যান তদন্তকারীরা। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। জেরা করা হয়েছে সিয়ার বাবা-মা’কেও। প্রসঙ্গত, কেতনের হত্যাকাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৬:৩৭

options
link
পুলিশ হেফাজতে মদ্যপানের আবদার নির্লজ্জ সিয়ার! প্রকাশ্যে ‘খুনি’ প্রেমিকের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ’ ভিডিও
(বাঁ দিকে) সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরী (ডান দিকে)।

মদে আসক্ত ছিলেন সিয়া গোয়েল! পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীনও তদন্তকারীদের কাছে মদ্যপানের আবদার জানান তিনি। পুলিশ সূত্রে এমনটাই দাবি। এরই মাঝে প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর একটি পুরনো ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক একপ্রকার স্পষ্ট। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

Advertisement

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে একবার ফেল করেছিলেন সিয়া। তারপর থেকেই মদের নেশায় বুঁদ থাকতেন তরুণী। শুধু তাই নয়, একসঙ্গে একাধিক পুরুষের সঙ্গেও তিনি সম্পর্কে জড়ান। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন বারবার মদ্যপানের জন্য আবদার করেন সিয়া। এসবের মধ্যেই চেতনের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ দেখার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গ্যালারিতে চেতনের গায়ে শরীর এলিয়ে দিয়ে বসেন সিয়া। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সিয়ার দাদা সাহিলের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতেন চেতন। মনে করা হচ্ছে, সেই সূত্র ধরেই চেতনের সঙ্গে সিয়ার পরিচয়। তারপর ক্রমে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা।

Advertisement

পুণের লোহাগড় দুর্গে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে হবু স্বামী কেতনকে খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। অভিযুক্ত সিয়া এবং চেতনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতনের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মত দিলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। সেকথা হবু স্বামীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সিয়ার দাবি, পরিবারের এতটাই চাপ ছিল যে বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তাই কেতনকে হত্যা করার পথ বেছে নেন।

Advertisement

রবিবার সকালে সিয়াকে নিয়ে লোহাগড় দুর্গে যান তদন্তকারীরা। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। জেরা করা হয়েছে সিয়ার বাবা-মা’কেও। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের সহযোগিতা করে তাঁরা জানান, মেয়ে দোষী হলে যে ফাঁসি হয়। প্রসঙ্গত, কেতনের হত্যাকাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। কখনও শোনা যাচ্ছে, বিয়ে নিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়েছিলেন। কখনও জানা যাচ্ছে, হবু স্বামীকে খুন করার জন্য সিয়াকে চাপ দিয়েছিলেন তাঁর প্রেমিক চেতন। পুলিশ হেফাজতে শুরুতে সিয়া ও চেতন একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। যদিও দু’জনেই শেষ পর্যন্ত নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.