Puri rathyatra

প্রবল ভিড়ে ভক্তদের মৃত্যু, মাসির বাড়ির আগেই থমকে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার রথ! কখন শুরু যাত্রা?

বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরেও জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার রথ এগনো যায়নি। শেষ পর্যন্ত মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার রথযাত্রা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ০৯:১৭

options
link
প্রবল ভিড়ে ভক্তদের মৃত্যু, মাসির বাড়ির আগেই থমকে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার রথ! কখন শুরু যাত্রা?

প্রবল ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ভক্তদের মৃত্যু, পুণ্যার্থীরাও অসুস্থ। এহেন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাতিল করা হল পুরীর রথযাত্রা। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরেও জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার রথ এগনো যায়নি। শেষ পর্যন্ত মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার রথযাত্রা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। শুক্রবার সকাল থেকে ফের শুরু হবে যাত্রা।

Advertisement

রথযাত্রার শ্রীক্ষেত্র পুরীতে চেনা ভিড় এবারও। একটিবার প্রভুকে সচক্ষে দর্শন করার জন্য বৃষ্টির মধ্যেও দেশ-বিদেশের লাখো লাখো ভক্ত ভিড় জমিয়েছেন পুরীতে। সেই বিপুল ভিড় ঠেলে নীলমাধবকে দেখার হুড়োহুড়ির মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিপত্তি ঘটে যায়। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে যান কমপক্ষে ১২০ জন পুণ্যার্থী। অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে। পরে জানা যায়, অন্তত ২ জন ভক্ত প্রাণ হারিয়েছেন ভিড়ের চাপে। বিরাট জনসমাগম পেরিয়ে তিনটি রথ আর গুণ্ডিচা মন্দিরে পৌঁছতে পারেনি।

Advertisement

বৃহস্পতিবার পুরীর রথযাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি-সহ মন্ত্রিসভার একঝাঁক সদস্য। রথের রশিতে টান দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর বহু আগেই ভিড়ের জন্য থামিয়ে দেওয়া হয় রথযাত্রা। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ফের শুরু হবে যাত্রা। নিয়ম মেনেই তিনটি রথ নিয়ে যাওয়া গুণ্ডিচা মন্দিরে। অন্যদিকে, ওড়িশার স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, অসুস্থ বহু পুণ্যার্থীই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বেশিরভাগই শ্বাসকষ্ট, ডিহাইড্রেশন এবং ভিড়ের চাপেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য পুরীর জেলা হাসপাতাল-সহ একাধিক মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

Advertisement

রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে আগাম সতর্ক ছিল ওড়িশা প্রশাসন। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। মন্দির চত্বরে মোতায়েন করা হয় হাজার হাজার পুলিশকর্মী, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। প্রস্তুত রাখা হয় দমকল এবং চিকিৎসক টিমও। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য বিশেষ উদ্ধারপথও আগে থেকে তৈরি রাখা হয়েছিল। প্রশাসনের তরফে ভক্তদের নির্ধারিত পথ ব্যবহার করে জগন্নাথ দর্শন এবং নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ মেনে চলার আবেদন জানানো হয়েছে। সঙ্গে ছিল পুলিশের লাগাতার মাইকিং। তবে এত কিছু করেও পুণ্যার্থীদের মৃত্যু এড়ানো গেল না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.