মুখ্য কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনার (সিআইসি) পদে রাজ কুমার গোয়েলের নাম প্রস্তাব করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু বৈঠকে তাতে আপত্তি তোলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু সেই আপত্তি অগ্রাহ্য করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পছন্দের ওই আমলাকেই তথ্য কমিশনার পদে নিয়োগ করে মোদি সরকার।
আরও পড়ুন:
অবসরপ্রাপ্ত কমোডর লোকেশ বাত্রা তথ্য জানার অধিকার আইনে (আরটিআই) এ ব্যাপারে তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। তাঁকে কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সিআইসি, আরও আট ইনফরমেশন কমিশনার বাছাইয়ের জন্য সংসদ ভবনে ২০২৫-এর ১০ ডিসেম্বর বৈঠক বসেছিল। আরটিআই আইনমাফিক বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাহুল গান্ধীকে নিয়ে। নিয়ম হল, সিআইসি বাছাইয়ে বৈঠকে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের একজন মন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতা।
বৈঠকের মিনিটস-এ প্রকাশ, প্রাক্তন আমলা গোয়েলের নাম প্রস্তাব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ। কিন্তু বিরোধী দলনেতা গোয়েলের পালটা তিনজনের নাম দেন। এঁরা হলেন আইএএস অফিসার সুমিতা দাওরা, বিচারপতি এস মুরলিধর ও প্রফেসর ফইজান মুস্তাফা। সুমিতা ১৯৯১ ব্যাচের আইএএস। প্রাক্তন শ্রমসচিব সুমিতা পাবলিক পলিসি ও নানা বিচিত্র ক্ষেত্রে উন্নয়নের ব্যাপারে তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতার অধিকারী বলে সওয়াল করেন রাহুল। তাছাড়া কোভিডের সময় তাঁর কাজ প্রশংসিত হয়েছিল। মুরলিধর ও মুস্তাফাকেও বিশিষ্ট পেশাদার, আইন, বিচারবিভাগ ও জনসেবার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তযোগ্য রেকর্ডের অধিকারীও বলেন রাহুল। যদিও সরকার গোয়েলকেই সিআইসি পদে বসানোর প্রস্তাবে অটল থাকে।
এই ধরনের স্বশাসিত সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে আগেও অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর অভিযোগ ছিল, বৈঠকে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সেটাই যেন প্রমাণিত হল সিইসি নির্বাচন বৈঠকের বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসার পর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’