Raj Thackeray

ইদের দিন হনুমান চালিশা পাঠ নয়, দলীয় কর্মীদের শান্তির বার্তা রাজ ঠাকরের

লাইডস্পিকার বাজানো একটি সামাজিক ইস্যু, ধর্মীয় সমস্যা নয়, মন্তব্য রাজ ঠাকরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২২, ১৮:১৭

options
link
ইদের দিন হনুমান চালিশা পাঠ নয়, দলীয় কর্মীদের শান্তির বার্তা রাজ ঠাকরের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিযোগ ছিল, তাঁর উসকানিমূলক মন্তব্যের জেরেই আজান বিতর্কে মাত্রাছাড়া উত্তেজনা ছড়ায় মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)। সেই মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray) সোমবার দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে আবেদন করলেন, ৩ মে মঙ্গলবার ইদের (Eid) দিনে হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa) পাঠ করবেন না। যাতে করে ওই দিন রাজ্যে কোনওরকম অশান্তি না ছড়ায়।

Advertisement

এদিন এই বিষয়ে টুইট করেন রাজ ঠাকরে। লেখেন, “আগামিকাল ইদ। আমি আগেই ঔরঙ্গাবাদের সভায় বলেছিলাম, মুসলিমরা যেন তাঁদের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান আনন্দের সঙ্গে পালন করতে পারেন। সেই কারণে দয়া করে অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে ‘আরতি’ অনুষ্ঠান করবেন না। আমরা অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটুক তা চাই না।” রাজ ঠাকরে আরও বলেন, “লাউডস্পিকার বাজানো একটি সামাজিক সমস্যা, এর সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা আমি টুইট করে জানাব।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শিশুকে সঙ্গে নিয়ে অন্তঃসত্ত্বাকে গণধর্ষণ, স্বামীকে মারধর, অন্ধ্রের ঘটনায় শিউরে উঠছেন সকলে]

উল্লেখ্য, রবিবার ঔরঙ্গাবাদের সংস্কৃতিক ময়দানে রাজ বলেছিলেন, লাউডস্পিকারে আজান বাজানো বন্ধ না হলে দ্বিগুণ ভলিউমে হনুমান চালিশা পাঠ করব আমরা। সেদিন রাজ এও বলেন, লাউডস্পিকার বাজানো ধর্মীয় নয়, বরং একটি সামাজিক সমস্যা।

প্রসঙ্গত, আজান ও হনুমান চালিশা বিতর্কে সম্প্রতি মহারাষ্ট্র সরকার ঘোষণা করেছে, এবার থেকে ধর্মীয়স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের জন্য অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। একই দিনে অশান্তি এড়াতে নাসিক পুলিশ একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়, মসজিদের ১০০ মিটারের মধ্যে হনুমান চালিশা পাঠ নিষিদ্ধ।

[আরও পড়ুন: গ্যাংস্টারের বাড়ি তল্লাশিতে গিয়ে মিলল মেয়ের মৃতদেহ, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রতিবেশীদের]

এর আগে লাউডস্পিকারে আজান বাজানো নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা প্রধান রাজ ঠাকরে। “হিন্দু ভাইদের প্রস্তুত থাকার” আহ্বানও জানান রাজ। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, ৩ মে-র মধ্যে মসজিদ থেকে লাউস্পিকার সরানো না হলে পালটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বলেন, “হিন্দু ভাইরা তৈরি থাকুন। ৩ মে-এর পরেও যদি দেশের কোনও মসজিদে লাউডস্পিকার বাজে, তাহলে মসজিদের সামনেই আমরা লাউডস্পিকারে হনুমান চালিশা পড়ব।” এরপরেই তড়ঘড়ি ধর্মীয়স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিষয়ে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.