Saraswathi Foundation

জনসেবার মডেলে কর্নাটকে বিপ্লব এনেছেন রাজু পুথরান, সরস্বতী ফাউন্ডেশনের হাত ধরে শিক্ষার প্রসার

ব্যক্তিগত অপূর্ণতাকেই জনসেবার শক্তিতে রূপান্তরিত করেছিলেন রাজু পি পুথরান। তাঁর হাত ধরে ২০১২ সালে শুরু হওয়া ‘সরস্বতী ফাউন্ডেশন’ আজ কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়নের মিশেলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উদুপির এই ভূমিপুত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
জনসেবার মডেলে কর্নাটকে বিপ্লব এনেছেন রাজু পুথরান, সরস্বতী ফাউন্ডেশনের হাত ধরে শিক্ষার প্রসার
সরস্বতী ফাউন্ডেশন

অভাবের তাড়নায় এক সময় নিজের পড়াশোনা মাঝপথে থেমে গিয়েছিল। কিন্তু সেই ব্যক্তিগত অপূর্ণতাকেই জনসেবার শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন রাজু পি পুথরান। তাঁর হাত ধরে ২০১২ সালে শুরু হওয়া ‘সরস্বতী ফাউন্ডেশন’ আজ কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়নের মিশেলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উদুপির এই ভূমিপুত্র।

Advertisement

উদুপির শিরভার এক অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম রাজুর। মুম্বইয়ের নৈশ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও আর্থিক সংকটে স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয়েছিল। হোটেলের সাধারণ কর্মী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। কিন্তু শেকড় ভোলেননি। নিজের লড়াইয়ের শিক্ষা থেকেই প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষার পথ সুগম করতে গড়ে তোলেন এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
সপরিবারে রাজু পি পুথরান

ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্যই হল নিখরচায় বা নামমাত্র খরচে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান। ‘ওরিয়েন্ট ইনস্টিটিউট’-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে গরিব মেধাবী পড়ুয়াদের ফি ৫০ শতাংশ মুকুবের ব্যবস্থা করেছেন রাজু। শুধু বইখাতা নয়, নাচ, গান ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীল বিকাশেও জোর দেয় এই সংস্থা। ২০১৪ সাল থেকে বেলমান সহ বিভিন্ন গ্রামীণ স্কুলে এই ধরনের কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

Advertisement

সেবামূলক কাজেও এই ফাউন্ডেশন পিছিয়ে নেই। ২০১৩ সালে বিষ্ণুমূর্তি মন্দিরের সংস্কার এবং সামাজিক ঐক্যবদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন রাজু পুথরান। অনাথ আশ্রম, বৃদ্ধাশ্রম এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো ফাউন্ডেশনের নিয়মিত কাজের অংশ। এমনকী কুটির শিল্প ও কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমেও সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করার লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে রাজু পুথরানের সুযোগ্য উত্তরসূরিরা এবং নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তাঁর এই স্বপ্নের উত্তরাধিকার বয়ে নিয়ে চলেছেন। রাজু পুথরান আর নেই, কিন্তু তাঁর দেখানো সেবার পথেই আজ নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে কয়েক হাজার পরিবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন