Rajya Sabha

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কার! রাজ্যসভার প্রার্থী ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, জারি বিজ্ঞপ্তি

আগামী ২৪ জুলাই রাজ্যসভার তিন আসনে নির্বাচন, সংখ্যাতত্ত্বের ভিত্তিতে তৃণমূল কোনও প্রার্থী দিতে পারবে না।

রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ২১:৫০

options
link
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কার! রাজ্যসভার প্রার্থী ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, জারি বিজ্ঞপ্তি
রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদের, ফাইল ছবি

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মিলল ইনাম! বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যসভার তিন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। তিনজন হলেন, সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। এই তিনজনই আজ বিকেলে সল্টলেকের বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে দলে যোগদান করেছেন। তখন থেকেই তাঁদের রাজ্যসভায় পাঠানো নিয়ে তুঙ্গে উঠেছিল জল্পনা। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লির বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হল এই তিনজনকেই সংসদের উচ্চকক্ষে প্রার্থী করা হচ্ছে।

Advertisement

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবিতে দল ছত্রভঙ্গ হওয়ার পরপরই রাজ্যসভার তিন সাংসদ – সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক পদত্যাগ করেন। সাংসদ হিসেবে সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। সুস্মিতা দেব ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তাঁদের আসনগুলি ফাঁকা হওয়ায় ভোট হবে আগামী ২৪ জুলাইয়ে। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনজনই ফের রাজ্যসভায় ফিরতে চলেছেন, তবে পদ্ম-প্রতীকে।

রাজ্যসভায় ৩ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি বিজেপির

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবিতে দল ছত্রভঙ্গ হওয়ার পরপরই রাজ্যসভার তিন সাংসদ – সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক পদত্যাগ করেন। সাংসদ হিসেবে সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। সুস্মিতা দেব ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তাঁদের আসনগুলি ফাঁকা হওয়ায় ভোট হবে আগামী ২৪ জুলাইয়ে। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনজনই ফের রাজ্যসভায় ফিরতে চলেছেন, তবে পদ্ম-প্রতীকে।

Advertisement

সংখ্যাতত্ত্বের ভিত্তিতে এই তিনটি আসনে তৃণমূলের কোনও প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তা স্বীকার করে নিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে তিন আসনই বিজেপির দখলে যাচ্ছে। এদিন তিন প্রাক্তন তৃণমূল প্রার্থী বিজেপিতে যোগদানের সময় সাংবাদিকরা শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁদের রাজ্যসভার প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাতে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে শমীকবাবু উত্তর দিয়েছিলেন, ”চর্চা চলুক না।” চর্চাই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.