Madhya Pradesh

কুনোর জঙ্গলে কানখাড়া ‘ভূত’, বহুকাল পর দেখা মিলল বিরল প্রাণীর

বহু বছর পর, অবশেষে দেখা মিলল এক রহস্যময় শিকারির। সে একলা চলে। তার পায়ের শব্দ রাতের কালো আঁধারে বিভীষিকা জাগায়। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের কুনোর একটি ক্যামেরা ট্র্যাপে বন্দি হয়েছে এই অধরা পশুর ছবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৭:১৯

options
link
কুনোর জঙ্গলে কানখাড়া ‘ভূত’, বহুকাল পর দেখা মিলল বিরল প্রাণীর
বহু দশক পর মধ্যপ্রদেশের কুনোর একটি ক্যামেরা ট্র্যাপে বন্দি হয়েছে এই অধরা পশুর ছবি। ছবি: সংগৃহীত

বহু বছর পর, অবশেষে দেখা মিলল এক রহস্যময় শিকারির। সে একলা চলে। তার পায়ের শব্দ রাতের কালো আঁধারে বিভীষিকা জাগায়। জঙ্গলপ্রেমীরা তাকে ‘তৃণভূমির ভূত’ বলে থাকে। অত্যন্ত হিংস্র ও ক্ষিপ্র। ১৫ ফুট উঁচুতে লাফ দিয়ে শিকার ধরতে পারে অনায়াসে। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। কথা হচ্ছে অতি বিরল বন্য বেড়াল ‘কারাকাল’ নিয়ে। বহু দশক পর মধ্যপ্রদেশের কুনোর একটি ক্যামেরা ট্র্যাপে বন্দি হয়েছে এই অধরা পশুর ছবি। বলাই বাহুল্য বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এ খবর আসায় স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত বন দফতর। খুশির হাওয়া বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মনেও।

Advertisement
Caracal-1
ছবি: সংগৃহীত

কারাকাল দেখতে ভারী চমৎকার। তার কানের ডগায় থাকে কালো রঙের চুল। শরীরটা বেশ শক্তপোক্ত। শিকার ধরার ক্ষমতা অসাধারণ। একসময় পশ্চিম ও মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই রহস্যময় প্রাণীর দাপট ছিল। কিন্তু দিন দিন ঘাসজমি কমে যাওয়ায় শুরু হয় অস্তিত্ব সংকট। ভারতে এটি অন্যতম বিপন্ন বন্য বেড়াল। তাই কুনোর জঙ্গলে এর ফিরে আসা এক অবাক করা ঘটনা বইকি!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব এই ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, ‘প্রজেক্ট চিতা’-র হাত ধরে কুনোর জঙ্গলের ভোল বদলে গিয়েছে। পুরো বাস্তুতন্ত্র উন্নত হয়েছে। চিতার পাশাপাশি অন্য বিরল পশুরাও এখন এখানে নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারাকালের মতো শিকারির উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, কুনোর জঙ্গলে খাবারের অভাব নেই। সেখানকার জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্র এখন সুগঠিত।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব এই ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, ‘প্রজেক্ট চিতা’-র হাত ধরে কুনোর জঙ্গলের ভোল বদলে গিয়েছে। পুরো বাস্তুতন্ত্র উন্নত হয়েছে। চিতার পাশাপাশি অন্য বিরল পশুরাও এখন এখানে নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারাকালের মতো শিকারির উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, কুনোর জঙ্গলে খাবারের অভাব নেই। সেখানকার জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্র এখন সুগঠিত।

শুধু কুনো নয়, কিছুদিন আগে মধ্যপ্রদেশের গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যেও এই কারাকালের দেখা মিলেছিল। ফলে আশা জাগছে, রাজ্যের শুকনো এলাকাগুলোতে এখনও হয়তো এদের কিছু বংশধর টিকে রয়েছে। কুনোর এই নতুন অতিথিকে নিয়ে এখন তুমুল চর্চা চলছে দেশজুড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.