কখনও বিহার, কখনও বা ঝাড়খণ্ড। দেশজুড়ে ‘গাঁজাখোর’ ইঁদুরের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এবারের ঘটনা গুজরাটের। সম্প্রতি রাজ্যটির বিধানসভায় কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি)-র রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়েছে, ইঁদুর এবং চোরের উপদ্রবে পুলিশের বাজেয়াপ্ত ২৩০০ কেজি কাজা গায়েব হয়ে গিয়েছে! ইঁদুর, চোর ছাড়াও খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাজেয়াপ্ত গাঁজা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি ওই রিপোর্টে।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসের মধ্যে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে ৬.৫১০.৫৪ কেজি গাঁজা। এর মধ্যে ৪,১৭৭.৮৬ কেজি চোরাচালান পণ্যের আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ধ্বংস করা হয়। যদিও বাদবাকি ২,৩৩২.৬৮ কেজি মাদকদ্রব্য পুলিশি হেফাজত থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ কিনা মোট মাদকের ৩৫ শতাংশের খোঁজ মিলছে না। এর তিন কারণ দেখিয়েছে গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেগুলি হল ১৪৪.১৮০ কেজি গাজা চুরি হয়ে গিয়েছে। বিরাট পরিমাণ গাজা ইঁদুরে খেয়েছে। বাকি অংশ ভেজা আবহাওয়ার কারণে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
যদিও বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যের গায়েব হওয়া, তাও আবার মূলত ইঁদুরের কারণে, গোটা বিষয়টি মানতে নারাজ নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ-র রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। তাদের দাবি, ঘুরপথে ওই গাঁজা কালোবাজারে ফিরে আসছে। তার কারণ পুলিশের একটি অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত। তারাই বাজেয়াপ্ত গাঁজা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে। আর দোষ চাপাচ্ছে ইঁদুরের উপরে। সব মিলিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ইটস টাইম ফর আফ্রিকা… হাড্ডাহাড্ডি পেনাল্টিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মরক্কো
-
হাসপাতালে হিয়া, মঙ্গলেই হচ্ছে অস্ত্রোপচার, কী হল ‘পটলকুমার গানওয়ালা’র?
-
অরুণাচলের জমি গিলছে ড্রাগন! চিনা আগ্রাসনের অভিযোগে তদন্তে সরকার, কী বলছে সেনা?
-
বাজ পড়ে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পাইপলাইনে আগুন লেগে ঝলসে গেলেন ৩৫জন
-
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমাত্রই ‘অ্যাকশন’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যের জেরে গ্রেপ্তার সভার আয়োজকরা