RBI Repo rate

করোনার ধাক্কায় GDP বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল রিজার্ভ ব্যাংক, অপরিবর্তিত রেপো রেট

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কৃষিই ভরসা সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২১, ১৩:২৫

options
link
করোনার ধাক্কায় GDP বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল রিজার্ভ ব্যাংক, অপরিবর্তিত রেপো রেট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে রেপো রেট (Repo Rate) ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাংক। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন এ কথা ঘোষণা করলেন রিজার্ভ ব্যাংকের গর্ভনর তথা মনিটরি পলিসি কমিটির (MPC) চেয়্যারম্যান শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। আসলে করোনার রুখতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য যেভাবে আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে তাতে অর্থনীতি ধাক্কা খাচ্ছে। সেটা মেনে নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ ব্যাংক। তবে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখলেও চলতি অর্থবছরের অভ্যন্তরীণ বৃদ্ধির হারের পূর্বাভাসে ছাঁটাই করেছে রিজার্ভ ব্যাংক।

Advertisement

এই মুহূর্তে রিজার্ভ ব্যাংকের রেপো রেট চার শতাংশ এবং রিভার্স রেপো রেট আগের মতোই ৩.২৫ শতাংশ। প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাংক যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোকে ঋণ দেয়, তা হল রেপো রেট। আর শীর্ষ ব্যাংক যে হারে অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, সেটাকে বলা হয় রিভার্স রেপো রেট। রেপো রেট কমানোর অর্থ সুদের হার কমাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করা। যাতে মানুষ আরও ঋণ নেয় ও বাজারে টাকার জোগান বাড়ে। তবে এবার আর সেই পথে হাঁটল না রিজার্ভ ব্যাংক (Reserve Bank)। এই নিয়ে টানা ৬টি মনিটরি পলিসি বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হল। একইভাবে রিভার্স রেপো রেটও বদলানো হয়নি। বাজারে নগদের জোগান এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই গত বছর ফেব্রুয়ারিতে রেপো রেট এবং রিভার্স রেপো কমিয়ে ছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। তার পর থেকে তা টানা অপরিবর্তিতই রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মোদিজির সুযোগ্য নেতৃত্বে করোনা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে ভারত’, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর]

মহামারী আবহে দেশের অভ্যন্তরীণ বৃদ্ধির হার নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাংক। শুক্রবার আরবিআই জানিয়েছে চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি হতে পারে ৯.৫ শতাংশ। আগে চলতি বছরে ১০.৫ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল আরবিআই। অর্থাৎ, অতিমারীর ধাক্কায় আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাসেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে আরবিআইকে। আসলে, সোমবারই জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর জানিয়েছিল ২০২০-২১ অর্থবর্ষে অর্থনীতির বৃদ্ধির বদলে সংকোচন হয়েছে ৭.৩ শতাংশ। এই ফল বিগত চার দশকের সবথেকে খারাপ। এর ফলে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে যেখানে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৪৫.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবর্ষে সেটা কমে হয়েছে ১৩৫.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। তবে, এসবের মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে কৃষি। কারণ, অতিমারীতেও কৃষিক্ষেত্রে বাড়ছে উৎপাদন। আর সেটাকে হাতিয়ার করেই মূল্যবৃদ্ধির হার ২ থেকে ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে আরবিআই।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন