একেই বোধহয় বলে ওস্তাদের মার শেষরাতে! দিল্লিতে পা রেখে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সংসদীয় দলে সই করামাত্রই ‘শাহী’ সাক্ষাৎ করলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক সেরেই শাহের সঙ্গে দেখা করে প্রায় আধঘণ্টা কথা বলেন সুদীপ। আর এতেই স্পষ্ট, ‘বিদ্রোহী’ ব্লকের একমাত্র সাংসদকে এতটা গুরুত্ব দেওয়ার কারণ। দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বরাবর সুসম্পর্ক বজায় রাখা তৃণমূলের সাতবারের সাংসদকেই যে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কেন্দ্রের শাসকদল, সাম্প্রতিক রাজনীতি সম্পর্কে সামান্য খোঁজখবর রাখা মানুষমাত্রই তা বুঝবেন।
আরও পড়ুন:
কখনও রাজনীতির বাইরে গিয়ে চা-চক্রের আমন্ত্রণ রক্ষা, কখনও পোশাকের প্রশংসা – সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে এমন সৌজন্যের ছবি বারবার নজরে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে। বলা হয়, সুদীপই নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মোদির যোগসূত্র ছিলেন চৌরঙ্গির এই আদি তৃণমূল নেতাই।

আরও পড়ুন:
কখনও রাজনীতির বাইরে গিয়ে চা-চক্রের আমন্ত্রণ রক্ষা, কখনও পোশাকের প্রশংসা – সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে এমন সৌজন্যের ছবি বারবার নজরে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে। বলা হয়, সুদীপই নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মোদির যোগসূত্র ছিলেন চৌরঙ্গির এই আদি তৃণমূল নেতাই। আর এই কারণেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংসদে কক্ষ সমন্বয়ের মতো গুরু দায়িত্ব দিয়ে রেখেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। ২০২৪-এ লোকসভা ভোটের পরও সুদীপ ছিলেন তৃণমূলের দলনেতা। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর এই দায়িত্ব বর্তায়।
এর ঠিক ২ বছরের মধ্যে লোকসভায় ঘাসফুল শিবিরের রাজনৈতিক সমীকরণ ফের বদলাতে চলেছে। ছাব্বিশের ভোটে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবিই তার মূল কারণ। একদিকে বিধানসভায় দ্বিধাবিভক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, অন্যদিকে সংসদীয় দলে বড় ভাঙন। ২৮ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে ২০ জনই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কেন্দ্রের এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। এই বিদ্রোহী দলে এখনও পর্যন্ত শেষতম সদস্য মমতার অত্যন্ত আস্থাভাজন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার সাংসদ শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে তাঁকে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি। সূত্রের খবর, সেখানে আলোচনার পর বেরিয়ে সোজা সুদীপ চলে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের সঙ্গে দেখা করতে। আধঘন্টা দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা হয়। এরপরই নাকি কলকাতা উত্তরের সাংসদ সইসাবুদ করে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখান ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে। জানা যাচ্ছে, রবিবার এই দলের বৈঠক, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
শনিবার সাংসদ শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে তাঁকে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি। সূত্রের খবর, সেখানে আলোচনার পর বেরিয়ে সোজা সুদীপ চলে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের সঙ্গে দেখা করতে। আধঘন্টা দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা হয়। এরপরই নাকি কলকাতা উত্তরের সাংসদ সইসাবুদ করে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখান ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে। জানা যাচ্ছে, রবিবার এই দলের বৈঠক, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এরপর সোমবার লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের আলাদা ব্লকে বসার দাবি জানাবেন ‘বিদ্রোহী’ ২০ সাংসদ। লোকসভায় নতুন কলেবরে তৃণমূলকে দেখা যাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষামাত্র, তেমনই গুঞ্জন ওয়াকিবহাল মহলে।কেউ কেউ বলছেন, শেষবেলায় এসে ‘বাজিগর’ হতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পাহাড় থেকে নেমে আসছিল মৃত্যু! চালকের সতর্কতায় বাঁচল প্রাণ, নেপাল থেকে ফিরলেন বসিরহাটের দম্পতি
-
রাতের শহরে আতঙ্ক! ‘খরগোশে’র গুলিতে আহত যুবক, হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ
-
বয়স সংখ্যামাত্র! সাড়ে ৬ বছর পর ক্লাবের জার্সিতে অভাবনীয় কীর্তি মেসির
-
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
-
তিব্বতে ফের হ্রদ ভাঙলে ভাসবে বিহার! নদীগুলিতে চলছে কড়া নজরদারি, বাড়ছে আতঙ্ক