সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক পুলিশ কনস্টেবলকে খুনের অপরাধে রবিবার রিয়াজ নামে এক কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছিল তেলেঙ্গানা পুলিশ। সোমবার হাসপাতালে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল অভিযুক্তের। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। যার জেরে বাধ্য হয়ে গুলি চালায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার এক বাইক চুরি করতে গিয়ে পুলিশের বাধা পেয়ে প্রমোদ নামে এক কনস্টেবলকে ছুরি মেরে হত্যা করেছিল রিয়াজ। পাশাপাশি তাঁর হামলায় আহত হন একজন এসআই। এরপরই অভিযুক্তকে পাকড়াও করতে অভিযানে নামে পুলিশ। পুলিশ জানায়, রবিবার সন্ধ্যেয় আহত অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিরাপত্তাবাহিনী। ভর্তি করা হয় নিজামবাদের এক সরকারি হাসপাতালে। সোমবার সকালে সেখানেই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর। যদিও একাধিক সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয় রবিবারই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে অভিযুক্তের।
তবে সে জল্পনার জল ঢেলে হায়দরাবাদ পুলিশের ডিজিপি শিবধর রেড্ডি জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রিয়াজ হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করে। একজন পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর সময় বাধ্য হয়েই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় পুলিশ। রেড্ডি বলেন, অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই একজন কনস্টেবলকে হত্যা করেছে। অন্যজন আহত। যদি কোনও ভাবে ও বন্দুক কেড়ে নিতে সক্ষম হত তবে হাসপাতালে বাকিদের প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিল। সম্ভাব্য সমস্ত পরিণতি বিবেচনা করার পরেই পুলিশ গুলি চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, নিজামবাদ জেলার সাতটি থানায় প্রায় ৩৭টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে রিয়াজের। সাম্প্রতিক সময়ে তার অপরাধের দৌরাত্ম্য আরও বেড়েছিল। জন্মদিনের পার্টিতে গুলি চালানো, প্রাক্তন মেয়র দান্ডু শেখরের স্বামীকে প্রকাশ্যে আক্রমণের পাশাপাশি বাইক চুরি, গাজা পাচার-সহ একাধিক অপরাধে জড়িত ছিল অভিযুক্ত।
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক