সুব্রত বিশ্বাস : আরপিএফের কর্মী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করলেন ভারতে প্রতিটি ডিভিশনের আরপিএফের কমান্ড্যান্টরা।
[মাঝ আকাশে আধ ঘণ্টা চক্কর,দেরিতে অবতরণে বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী]
সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সখ্য রাখা বা সংগঠনের কোনও কর্মসূচিতে আরপিএফ অফিসারদের যোগ দিতে নিষেধ করেছিলেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি লিখিতভাবে ভারতীয় রেলের প্রতিটি জোনের আরপিএফ আইজিকে সতর্ক করেছিলেন, এই আধা সামরিক বাহিনীতে কর্মী সংখ্যা ৬৫ হাজার। যা পরিচালনা করতে বছরে রেলের খরচ ৫০০ কোটি টাকা। এই অর্থ বরাদ্দ করে বাহিনীকে সংগঠনের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে খারাপ হতে দেওয়া যাবে না। এর পরেই অ্যাসোসিয়েশনের অফিসের দিকে যাতায়াত বন্ধ করেন সংগঠনে যুক্ত কর্মীরা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা আগেই রিপোর্ট দাখিল করেছিল, দেশের আর্মড ফোর্সগুলিতে সংগঠন নেই। একমাত্র আরপিএফ ছাড়া। সংগঠনের রুল ফর্ম থেকে তদারকি ডিজি করার কথা থাকলেও এই সংগঠনের নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্তরা। ফলে সংগঠনে দুর্নীতি দেখা দিলেও অবসরপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধাচার করেও কিছু ফল না হওয়ায় তার পরিমাণ বেড়েই চলেছিল। সংগঠন সম্পর্কে সম্প্রতি মতামত যাচাই করতে রেল বোর্ডের আইজি পদমর্যাদার এক অফিসার মত চান কমান্ড্যান্টদের। তাতেই নিষিদ্ধ করার সুপারিশ পড়ে।
[জাতীয় রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ, মমতার ডাকে সাড়া হার্দিকের]
রেলমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আরপিএফ কর্মীরা। তাঁদের কথায়, সংগঠনের মাথায় অবসরপ্রাপ্তরা বসে আছেন যুগ যুগ ধরে। ফলে তাঁরা কর্মীদের কল্যাণের কথা কখনওই ভাবেন না। আত্মকেন্দ্রিক কাজে যুক্ত থাকেন সব সময়। তবে সংগঠনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সংবিধান মেনে তৈরি করা হয়েছে এই সংগঠন। কেউই কিছু করতে পারবে না।
সর্বশেষ খবর
-
এসআরএফটিআই কাণ্ডে সিট গঠন, গোয়েন্দা প্রধানের নেতৃত্বে হবে তদন্ত
-
পরিকাঠামোই নেই, কেন্দ্রীয় অর্থের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বাংলার বহু স্কুল
-
একদিনে চার সোনা, এবার পুরুষদের তিরন্দাজি ও শুটিং ট্র্যাপ মিক্সড ইভেন্টেও সোনালি সাফল্য ভারতের
-
শেষ হাসি হাসলেন সাদ্দামই! ইরাক থেকে সরছে মার্কিন সেনা, ইরানি গোষ্ঠীকে সামলাতে পারবে বাগদাদ?
-
ভারত না ব্রাজিল, সমর্থন কাকে? যুবভারতীর মেগা ম্যাচে ধর্মসংকটে কলকাতার একমাত্র সাম্বা-পরিবার!