Satabdi Roy

দলত্যাগীরা ফিরলে ১ ঘণ্টায় ইস্তফা! অভিষেকের চ্যালেঞ্জে ‘রাজনীতির পাঠ’ দিলেন শতাব্দী

শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলত্যাগী জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ঝাঁজাল মন্তব্য করছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৫:০৮

options
link
দলত্যাগীরা ফিরলে ১ ঘণ্টায় ইস্তফা! অভিষেকের চ্যালেঞ্জে ‘রাজনীতির পাঠ’ দিলেন শতাব্দী

ছাব্বিশের ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূলে ছত্রভঙ্গ অবস্থার মাঝে শনিবার বড়সড় চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ‘কালীঘাট’ শিবিরের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দেগে দলত্যাগ করা নেতানেত্রীরা কেউ ফিরে এলে একঘণ্টার মধ্যে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন অভিষেক। এই মন্তব্যের ১২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পালটা তাঁকে রাজনীতির পাঠ পড়ালেন তৃণমূলের চারবারের তারকা সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁর কথায়, ‘‘একথা ৪ তারিখ (৪ মে, ভোটের ফলপ্রকাশের দিন) ভাবলে ভালো হতো।”

Advertisement

বীরভূমের চারবারের তারকা সাংসদ জানান, ‘‘অভিষেক বড় দেরি করে ফেলল। এই কথা ৪ তারিখ ভাবলে ভালো হতো। ৫ তারিখ ইস্তফা দিয়ে দিলে তৃণমূলটা এভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো হতো না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রীর এই অবস্থা হতো না।”

দিল্লিতে বাদল অধিবেশন শুরুর আগে রবিবার ছিল সর্বদল বৈঠক। তাতে শতাব্দী রায়-সহ তৃণমূলত্যাগী ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে আহ্বান জানিয়েছিলেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাঁদের বৈঠকে যোগদান নিয়ে বেশ শোরগোল তৈরি হয়। কেন স্বীকৃত দল না হওয়া সত্ত্বেও আমন্ত্রণ করা হল? এই প্রশ্ন তুলে তৃণমূল-সহ বিরোধী দলের একটা বড় অংশ ওয়াকআউট করে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা অভিষেকের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে শতাব্দী রায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চান। তাতেই বীরভূমের চারবারের তারকা সাংসদ জানান, ‘‘অভিষেক বড় দেরি করে ফেলল। এই কথা ৪ তারিখ ভাবলে ভালো হতো। ৫ তারিখ ইস্তফা দিয়ে দিলে তৃণমূলটা এভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো হতো না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রীর এই অবস্থা হতো না।”

Advertisement

শনিবার অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘যারা আজ দল ছেড়ে গিয়ে আমাকে গালাগাল দিচ্ছেন বা দোষারোপ করছেন, তাঁদের আমি চ্যালেঞ্জ করছি, দিদির কাছে ফিরে আসুন। যদি তাঁরা ফিরে আসেন, আমি এক ঘণ্টার মধ্যে আমার দলের পদ থেকে ইস্তফা দেব। কিন্তু তাঁরা তা করবেন না। কারণ তাঁরা ইতিমধ্যেই বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলেছেন। সমীকরণটা খুব সহজ, দল ছাড়ুন, বিদ্রোহী শিবিরে বা বিজেপিতে যোগ দিন, ইডি-সিবিআইয়ের হাত থেকে রক্ষা পান, তারপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষ দিতে শুরু করুন।”

Advertisement

রবিবার সকালে কলকাতা থেকে দিল্লি উড়ে যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে অভিষেকের এই মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয় সাংসদ সায়নী ঘোষ, মালা রায়দের কাছেও। কিন্তু সকলেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। একদা অভিষেক শিবিরের বিশ্বস্ত যুবনেত্রী সায়নী ঘোষের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, ‘‘আমি শুনিনি কী বলেছেন, তাই এনিয়ে কোনও কথা বলব না।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.