সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না উপরাজ্যপাল, সুপ্রিম স্বস্তিতে কেজরি

'আসল ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারেরই।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৮, ১২:৩১

options
link
সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না উপরাজ্যপাল, সুপ্রিম স্বস্তিতে কেজরি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে সরকার-উপরাজ্যপাল দ্বন্দ্বে নৈতিক জয় পেল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ সরকার। রাজ্য-উপরাজ্যপাল সংঘাত সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও ক্ষমতা উপরাজ্যপালের নেই। সরকার এবং উপরাজ্যপাল আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি নেবে। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত আরও জানাল, সংবিধান অনুযায়ী শুধুমাত্র ভূমি, আইনশৃঙ্খলা এবং পুলিশ প্রশাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন উপরাজ্যপাল। বাকি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে তাঁকে। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র মন্তব্য করেন, “আসল ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতেই থাকা উচিৎ। উপরাজ্যপালের উচিৎ আলোচনার মাধ্যমে রাজ্যের সিদ্ধান্তের পাশে থাকা। কোনওভাবেই রাজ্যের কাজে বাধাদানকারীর ভূমিকা নিতে পারেন না উপরাজ্যপাল।” প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “উপরাজ্যপাল সমস্ত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতে পারে না। সাংবিধানিক এক্তিয়ারের মধ্যে থেকেই কাজ করতে হবে তাঁকে।”

Advertisement

[১৪ বছরেই ওজন ২৩৭ কেজি, বিশ্বের ‘সবচেয়ে ভারী’ কিশোরের অস্ত্রোপচার দিল্লিতে]

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে গণতন্ত্রের জয় হিসেবে বর্ণনা করছে আপ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া এদিন বলেন, এবার থেকে আর কোনও সিদ্ধান্তের জন্য ফাইল উপরাজ্যপালের কাছে পাঠাতে হবে না, উন্নয়নের কাজ আর থমকে থাকবে না। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই উপরাজ্যপাল অনিল বাইজালের বিরুদ্ধে অসহোযোগিতার অভিযোগ তুলে টানা ৯ দিন ধরনা কর্মসূচি পালন করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তাঁর মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য। তারপরই এই ঐতিহাসিক রায় দিল সর্বোচ্চ আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[নৃশংস! গণধর্ষণের পর গোপনাঙ্গে ঢোকানো হল লাঠি, নগ্ন করে ঘোরানো হল গোটা গ্রাম]

কংগ্রেস অবশ্য কেজরিওয়ালের জয়ের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, দিল্লি এখনও পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা পায়নি। তবে, উন্নয়নের স্বার্থে সংঘাত এড়িয়ে একসঙ্গে কাজ করা উচিৎ সরকার ও উপরাজ্যপালের। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত দাবি করেন, তাঁর আমলে এমন সংঘাত কখনও হয়নি।

[‘মৃত্যুফাঁদ’ হাসপাতালে, রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচার করছে অষ্টম শ্রেণি পাশ  ]

তব, নৈতিক জয় হলেও অস্বস্তির কারণও রয়েছে আপ সরকারের জন্য। কারণ, দিল্লিকে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার যে দাবি জানাচ্ছিল কেজরি সরকার, তাতে মান্যতা দেয়নি সর্বোচ্চ আদালত। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী দিল্লি পূর্ণরাজ্য নয়। তাছাড়া, পাঁচ সদস্যের ডিভিসন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে কেন্দ্র চাইলে জাতীয় স্বার্থে রাজ্য সরকারের কোনও কোনও সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন