Supreme Court

‘আরাবল্লীর এক ইঞ্চি জমিতেও হাত দেওয়া যাবে না’, খনন নিয়ে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ বলছে, 'আদালতের নিয়োগ করা বিশেষজ্ঞ কমিটি আরাবল্লী পাহাডের নতুন সংজ্ঞা জমা না দেওয়া পর্যন্ত খননের অনুমতি দেওয়া হবে না।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ১৯:০৫

options
link
‘আরাবল্লীর এক ইঞ্চি জমিতেও হাত দেওয়া যাবে না’, খনন নিয়ে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
প্রতীকী ছবি।

বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট না দেওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নয়। আরাবল্লীর মামলায় শনিবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ বলছে, “আদালতের নিয়োগ করা বিশেষজ্ঞ কমিটি আরাবল্লী পাহাডের নতুন সংজ্ঞা জমা না দেওয়া পর্যন্ত খননের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

Advertisement

গত পাঁচ আগে থেকেই সুপ্রিম কোর্টের গঠন করা বিশেষজ্ঞ কমিটি আরাবল্লীর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণের কাজ শুরু করে। শনিবার এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আরাবল্লীর নতুন সংজ্ঞা না পাওয়া পর্যন্ত এক ইঞ্চি জমিতেও হাত দেওয়া যাবে না।” তাঁর আরও সংযোজন, “শক্তিশালী খনির লবির কারনেই সমস্যার সৃষ্টি। আমাদের অবস্থান হল আরাবল্লী পর্বতকে রক্ষা করা।” শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা।

Advertisement

আরাবল্লী নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয় গতবছর। আরাবল্লির কোন অংশটি সরক্ষিত এলাকার আওতায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। কেন্দ্রের দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নয়, বরং আশপাশের এলাকার চেয়ে ১০০ মিটার বা তার বেশি উচ্চতার ভূভাই অরাবল্লী পাহাড় বলে গণ্য হবে করা হবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের গঠন করা বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে তার দ্বিমত ছিল। তা সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বিআর গভাইয়ের বেঞ্চ কেন্দ্রের ওই সংজ্ঞাতেই সিলমোহর দিয়েছিল। শীর্ষ আদালতের ওই রায়ের পরে অরাবল্লী পাহাড়শ্রেণি সংরক্ষণের দাবিতে রাজস্থান ও হরিয়ানার বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন পরিবেশপ্রেমীরা। একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত সাত বছরে শুধুমাত্র রাজস্থানেই ৭১ হাজারের বেশি বেআইনি খনন কাজ চলেছে, যার বেশিরভাগই আরাবল্লী লাগোয়া জেলাগুলিতে। পরিস্থিতি আন্দাজ করে গত বছর ডিসেম্বরে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ এক অন্তর্বর্তী নির্দেশে জানিয়ে দেয়, পূর্ববর্তী রায়টি এখনই কার্যকর হচ্ছে না। শনিবারের রায়ের পর স্পষ্ট, শীর্ষ আদালতের নজরদারিতে কমিটির রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে আরাবল্লীর ভবিষ্যৎ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.