Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
Rakesh Rathore

সাংসদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, ‘ওটা পরকীয়া’ বলে রেহাই দিল হাই কোর্ট

গত বছর ১৭ জানুয়ারি ভরা সাংসদিক সম্মেলন থেকে সাংসদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ২০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ২০:০৬

options
link
সাংসদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, ‘ওটা পরকীয়া’ বলে রেহাই দিল হাই কোর্ট zoom
ছবি AI দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

ধর্ষণ মামলায় এলাহাবাদ হাই কোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেয়ে গেলেন কংগ্রেস সাংসদ রাকেশ রাঠোর। এলাহাবাদ হাই কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলা খারিজ করে দিল। আদালতের বক্তব্য, ওই সাংসদের সঙ্গে মামলাকারী মহিলার একটি সম্মতির ভিত্তিতে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিষয়টি শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্তও গড়ায়। কিন্তু এক্ষেত্রে ধর্ষণের মামলা খাটে না।

গত বছর ১৭ জানুয়ারি সীতাপুরের কংগ্রেস সাংসদ রাকেশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন এক মহিলা। সীতাপুরের কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ ছিল বিয়ে এবং রাজনৈতিক কেরিয়ার গড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত চার বছরে বেশ কয়েক বার ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেছেন রাকেশ। ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি শেষ বার ধর্ষিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতা। ধর্ষণের প্রমাণ হিসাবে থানায় কলের রেকর্ড এবং নথিও জমা দেন নির্যাতিতা। অভিযোগ, রাকেশ তাঁকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছিলেন। এর পরেই তৎপরতার সঙ্গে তদন্তে নামে পুলিশ। গত বছর ৩০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীনই তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁর বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় কংগ্রেস সাংসদকে। সেসময় তিনি দাবি করেন, ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ করে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এলাহাবাদ হাই কোর্টে ওই মামলায় জামিন পান রাকেশ। তিনি মামলাটি খারিজ করে দেওয়ার আর্জিও জানান তিনি। শুনানির পর এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী জানিয়ে দিলেন, এক্ষেত্রে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ খাটছে না। নির্যাতিতা বিয়ের প্রতিশ্রুতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি। এটা দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক। তাতে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক চলত। ওই মহিলার সঙ্গে সাংসদের দেখা জনসভায়। ক্রমে কথাবার্তা শুরু হয়, বন্ধুত্ব হয়। পরে তাঁকে জেলা সভানেত্রীর পদেও বসানো হয়। তারপর ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ে। সম্মতির ভিত্তিতে শারীরিক সম্পর্ক হয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, এক্ষেত্রে মামলাকারীই বহু স্ববিরোধী বয়ান দিয়েছেন। তাঁর স্বামীই জানিয়েছেন, মাঝে মাঝেই ওই সাংসদের বাড়িতে স্বেচ্ছায় যেতেন মহিলা। বহুদিন রাত পর্যন্ত থেকেও যেতেন। এত স্ববিরোধী বয়ানের ভিত্তিতে সাংসদকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.